Indian Snacks: সিঙাড়া-জিলিপি-লাড্ডুতে নিষেধাজ্ঞা নয়’, জানাল কেন্দ্র!
জনপ্রিয় ভারতীয় স্ন্যাক্স যেমন সিঙাড়া, জিলিপি বা লাড্ডুর গায়ে ‘সতর্কীকরণ লেবেল’ লাগানোর কোনও পরিকল্পনা নেই—এমনই সাফ জানাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক
Truth of Bengal: কথায় বলে ভোজনরসিক বাঙালি। বিকেল এলেই বাঙালির মন চা সিঙাড়া, জিলিপি এসবের খেতে মন চায়। সিঙাড়া, জিলিপি, লাড্ডু—এই জনপ্রিয় ভারতীয় খাবারগুলির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক নাকি সতর্কতা জারি করেছে, এমন খবর সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়ে একাধিক সংবাদমাধ্যমে। জনপ্রিয় ভারতীয় স্ন্যাক্স যেমন সিঙাড়া, জিলিপি বা লাড্ডুর গায়ে ‘সতর্কীকরণ লেবেল’ লাগানোর কোনও পরিকল্পনা নেই—এমনই সাফ জানাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। মঙ্গলবার একটি সরকারি বিবৃতিতে কেন্দ্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য পরামর্শকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং এটি কোনওভাবেই ভারতীয় স্ট্রিট ফুড বা ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতিকে লক্ষ্য করে নয়।
আরও পড়ুন: Party Ruckus: শুভেন্দু অধিকারীর কন্যা সুরক্ষা যাত্রা নিয়ে খড়্গপুরে বিজেপির চরমে গোষ্ঠীকন্দোল
স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বক্তব্য, “রাস্তার ধারে বিক্রি হওয়া খাদ্যদ্রব্যগুলির জন্য কোনও লেবেলিং নীতি প্রস্তাবিত বা কার্যকর করা হয়নি। শুধুমাত্র কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে সাধারণ একটি সচেতনতামূলক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।”এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, অফিসের লবি, ক্যান্টিন, কনফারেন্স রুম কিংবা সাধারণ বিশ্রামাগারগুলিতে বোর্ড লাগানো হোক, যেখানে অতিরিক্ত চিনি, তেল ও চর্বিযুক্ত খাদ্যের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতা ছড়ানো হবে। লক্ষ্য, কর্মজীবী মানুষদের খাদ্য নির্বাচনে স্বাস্থ্যসচেতন করে তোলা, যাতে তাঁরা স্থূলতা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো জীবনধারাজনিত রোগ থেকে দূরে থাকতে পারেন।
There have been some media reports claiming that the Union Health Ministry has directed to issue Warning Labels on food products such as samosa, jalebi and laddoo. These media reports are misleading, incorrect, and baseless. The Union Health Ministry had separately issued an… pic.twitter.com/SG4TLjayn1
— ANI (@ANI) July 15, 2025
স্বাস্থ্যমন্ত্রক আরও স্পষ্ট করেছে, এই উদ্যোগ একেবারেই কোনও নির্দিষ্ট রন্ধনপ্রণালী বা জনপ্রিয় খাবারকে নিশানা করছে না। বরং এর উদ্দেশ্য, ছোট ছোট স্বাস্থ্যবান অভ্যাস গড়ে তোলা—যেমন, অফিসে সিঁড়ি ব্যবহার, ছোট ছোট বিরতিতে হাঁটা, খাবারে শাকসবজি ও কম চর্বিযুক্ত উপাদান অন্তর্ভুক্ত করা। এটি একটি সামগ্রিক স্বাস্থ্য সচেতনতা অভিযান, যা জাতীয় অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি (NP-NCD)-র অংশ।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/193NB43TzC/
PIB (Press Information Bureau)-এর তরফেও জানানো হয়েছে, ‘সিঙাড়া, জিলিপি বা লাড্ডুর বিরুদ্ধে কোনও স্বাস্থ্য সতর্কতা কেন্দ্র দেয়নি, বরং এটি ভারতের খাদ্য ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান রেখেই মানুষকে সচেতন করতে একটি সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ।’ এই ভুল ব্যাখ্যার ফলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে যে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে কেন্দ্র জানিয়েছে। খাদ্যপ্রেমী ভারতীয়দের জন্য এই খবর নিঃসন্দেহে স্বস্তিদায়ক—ভোজনরসিক বাঙালিদের বিকেলের চা-সিঙাড়ায় এখনই কোনও নিষেধ নেই!






