এখনও পর্যন্ত শিকারের সংখ্যা ১৫, বাঘের আতঙ্কে ঘরবন্দি এলাকাবাসী
The number of victims so far is 15, locals are confined to their homes due to fear of tigers

Truth Of Bengal: প্রায় পঞ্চাশ দিন হতে চলল, উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউয়ের রহমানখেদা এলাকা বাঘের আতঙ্কে এখনও ভীত-সন্তস্ত্র। এলাকার মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্ম মাথায় উঠেছে। রাস্তাঘাট শুনশান। হাজার হাজার পরিবারের জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি বাঘ। বন বিভাগের দল বাঘ ধরতে ব্যর্থ হওয়ায় ৬০টি গ্রামের মানুষ গত ৪৮ দিন ধরে ঘরে বন্দি। ইতিমধ্যে বাঘের শিকার ১৫ জন। তবে, সৌভাগ্যের বিষয় এখনও পর্যন্ত বাঘের খাদ্য হয়নি কোনও মানুষ।
জানা গিয়েছে, বাঘের আক্রমণের কারণে রহমানখেদা ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং লোকজন ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছে। বনবিভাগের দল বাঘটিকে ধরতে একাধিকবার চেষ্টা করলেও এখন পর্যন্ত সফল হয়নি। ড্রোনের মাধ্যমেও নজরদারি করা হচ্ছে। বাঘটিকে যত দ্রুত সম্ভব ধরার জন্য স্থানীয় লোকজন বনবিভাগের কাছে দাবি জানিয়েছেন, যাতে তাঁরা ঘর থেকে বেরিয়ে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন করতে পারেন।
এই বিষয়ে ডিএফও সিতাংশু পাণ্ডে বলেন, ‘বাঘ ধরার জন্য অবিরাম চিরুনি তল্লাশি চলছে, ফাঁদ এবং খাঁচা বসানো হয়েছে। পাশাপাশি ডাকা হয়েছে বিশেষ দল ও বিশেষজ্ঞদের। আশা করছি খুব শীঘ্রই বাঘটিকে শান্ত করে আটক করা হবে।’
উল্লেখ্য, সম্প্রতি রহমানখেদা সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অব সাবট্রপিক্যাল হর্টিকালচারে বাঘটি তার ১৫তম শিকার করেছে। তারে এবারের শিকার একটি মোষের বাচ্চা। বাঘটি প্রতিনিয়ত বন বিভাগকে ফাঁকি দিচ্ছে। তাকে ফাঁদে ফেলার জন্য একটি গর্ত করা হলেও তাতে সে পা দেয়নি। তবে ফাঁদের পাশেই সে অপর একটি শিকার করেছে। বর্তমানে বন দফতরের বিভিন্ন দল বাঘের সন্ধানে মিঠেনগর, উলারাপুর ও দুগৌলির আশেপাশের জঙ্গলে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে। হাতির সাহায্যও নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সাফল্য অর্জিত হয়নি। এসবের মধ্যে আতঙ্কে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দারা।






