রাজ্যের খবর

জমাজলের সমস্যা মেটাতে শ্রীমতী নদী সংস্কার শুরু করল প্রশাসন, স্বস্তিতে পরিবেশপ্রেমীরা

To solve the problem of waterlogging, the administration started the renovation of Srimati river, the environmentalists are relieved

The Truth of Bengal: পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে শ্রীমতী নদী সংস্কারের কাজ শুরু করল প্রশাসন। ভরা বর্ষায় স্রোতসিনী নদীর গতিপথ ঠিক রাখতে শুরু হয়েছে কচুরিপানা সহ আবর্জনা তোলার কাজ। পুরপ্রশাসন জলাশয় পরিষ্কার করতে তত্পর হওয়ায় পরিবেশবিদরা বেশ স্বস্তিতে। বাংলার নানা প্রান্তে মজে যাওয়া নদী সংস্কারের কাজ জোরদার হওয়ায় জমাজলের সমস্যা মিটবে বলে আশা করছেন অনেকে।

ভারসাম্য হারিয়ে একদিকে অঝোর ধারায় ঝরছে বৃষ্টি,অন্যদিকে নদী উপচে জনপথে উঠে যাচ্ছে সেই জল।জোড়া সমস্যার মোকাবিলায় প্রশাসন বহুমুখী পথ নিয়েছে।একদিকে,নদী  বা খালের গভীরতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে আর অন্যদিকে জলবন্দি এলাকার জল বের করা হচ্ছে।এরমাঝে উত্তরবঙ্গে একের পর এক নদী সংস্কারের কাজ চলছে জোরকদমে।বলা যায়,ইতিমধ্যে পরিবেশবিদরা অভিযোগ করেছেন, আত্রেয়ী, টাঙন, পুনর্ভবা, ব্রাহ্মণী, শ্রীমতি  নদীর অস্তিত্ব সঙ্কট হতে পারে।আবার শ্রমতি নদীর গভীরতা না বাড়ায় নদী উপচে রাস্তায় চলে যায়। একথা মাথায় রেখে উত্তরবঙ্গের শ্রীমতী নদীর গভীরতা বাড়ানোর কাজ চলছে। সেজন্য শ্রমতি নদী থেকে কচুরিপানা সহ নানা আবর্জনা তুলে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে আলাদা তত্পরতার সঙ্গে।নদীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার প্রশাসনিক কাজের তারিফ করছেন পরিবেশপ্রেমীরা।

গত কয়েক দশকে রাজ্যের নানা প্রান্তে হারিয়ে গিয়েছে প্রায় ৬৮টি নদী। সোনাই, সুবর্ণমতী, চালুন্দিয়া, চৈতি,কোদালিয়া, সুরধনি, ব্রাহ্মণী,নাওভাঙা, পাগলা চণ্ডী, অঞ্জনা, ডুমনি, চালতা, পাগলা, সরস্বতী, গাঙুর, নুনিয়া, ঘরঘরিয়া, যমুনেশ্বরীর মতো নদীগুলি হয় সম্পূর্ণ বিলুপ্ত, না-হয় বিলুপ্তির পথে।এই অবস্থায় নদীর প্রাণের ধারা চঞ্চলতায় ভরিয়ে তুলতে রাজ্য সরকারের নির্দশে পুরকর্তারা যুদ্ধকালীন ভিত্তিতে কাজ করছে।চলছে নদীর আর্বজনা থেকে দূষিত বস্তু সরিয়ে ফেলার কাজ।প্রশাসনের একটাই আর্জি,বাম আমলে যেখানে নদীর সংস্কারে কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি সেখানে বর্তমান সরকার পরিবেশরক্ষার কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় তা সবমহলের মনে আশা তৈরি করছে। এই অবস্থায় পুকুর,জলাশয়  থেকে নদী সবকিছুর গভীরতা বাড়ানো বা সংস্কার করার এই পরিবেশবান্ধব কর্মষজ্ঞ,সবমহলের মধ্যে বিপুল সাড়া ফেলেছে।আশা করা হচ্ছে,নদী মাতৃক বাংলার সভ্যতার গতি আরও বাড়বে।

Related Articles