রাজ্যের খবর

নিজের হাতে ঠাকুর তৈরি করে পুজো করার ইচ্ছে ছোট্ট শিল্পীর! ষষ্ঠ শ্রেণির পড়ুয়ার এই মাতৃভক্তি দেখে হাটখোলার মানুষ বিস্মৃত

The little artist wants to make Thakur with his own hands and worship it

The Truth of Bengal: আহা কী আনন্দ আকাশে বাতাসে……..এই সুরই শোনা যাচ্ছে  সর্বত্র। কারণ কাশফুলের দোলা আর মেঘের আনাগোনা জানান দিচ্ছে পুজো এখন দুয়ারে এসে গেছে। ঢাকের বোল কখন ফুটবে পুজোপ্রাঙ্গনে তাই নিয়ে অপেক্ষায় আমবাঙালি।এই সময়ে মৃত্ শিল্পীদের তুলির টানে প্রতিমার রূপদান চলছে জোরকদমে।কারণ মহালয়ার পর থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে ঠাকুর আনার তোড়জোড় বাড়বে। সেই লক্ষ্যে শিল্পীরা ফাইনাল টাচ দেওয়ার কাজে ব্যস্ত।বড়দের মতোই শিলিগুড়ির vhild মৃণালও মূর্তি তৈরি করে বড় কদর পেতে তৈরি হচ্ছে।ঠাকুরের কারুকার্যে এখন সে ধ্যান দিয়েছে।মাটি-কাগজ-সুতো আর রং দিয়েই দুর্গা তৈরির কাজ করছেন এই শিল্পী। প্রথমে কাগজ কেটে ছোট মূর্তি তৈরি করার শখ ছিল।গোপাল,লক্ষ্মী আর রাধাকৃষ্ণ ঠাকুর তৈরির পর  এখন দুর্গা তৈরিতে মন দিয়েছে সে। চারদিকে কাসফুলের গন্ধে মাতোয়ারা। হাতে গোনা আর কিছুদিন তারপরেই বাঙ্গালীর শ্রেষ্ঠ উৎসব দূর্গা পূজা। তুঙ্গে মৃৎ শিল্পী থেকে শুরু করে পূজো উদোগক্তারা মধ্যে। তবে চিন্তার ভাজ ফেলেছে বৃষ্টি।

যখন সকলেই বৃষ্টির কারণে চিন্তায় পড়েছে ঠিক সেই জায়গায় অন্য চিত্র দেখা গেল শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের অন্তর্গত ফাঁসিদেওয়া ব্লকের হাটখোলা এলাকায়। ইচ্ছে থাকলে কি না করা যেতে পারে। ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের হাটখোলার বাসিন্দা কিশোর গত এক বছর ধরে বিভিন্ন মূর্তি বানিয়ে আসছে। তবে দুর্গা পূজার আগে দূর্গা প্রতিমা বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিল খুদে শিল্পী মৃণাল দেবনাথ। এবং মূর্তি করে বাড়িতেই পূজা করবে মৃণাল। তার ইচ্ছা শক্তি বাড়িয়েছে তার বাবা মা। মূর্তি তৈরি করতে যা যা দরকার সবাই এনে দিচ্ছে তা বাবা মা। মৃণাল ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র। এই বিষয়ে মৃণাল জানিয়েছে আমার ছোট থেকেই ঠাকুরের মূর্তি তৈরি করবো। তারপর আসতে আসতে এই মূর্তি তৈরি করলাম। আর এই মূর্তি তৈরি করতে মাটি,কাগজ ও শুতো এবং রং দিয়ে তৈরি করেছি। আমার ইচ্ছা আমি দূর্গা প্রতিমা বানিয়ে বাড়িতেই পুজো করবো। বড় হয়ে আমি মৃৎ শিল্পী হবো। আমি পড়াশুনা করি তারপর যা সময় পাই তারপর এইগুলো বানাই।

মৃণালের বাবা পাপ্পু দেবনাথ বলেন আমাদের দেখেও ভাল লাগছে যে দুর্গা প্রতিমা বানাচ্ছে। আর আগে যখন পূজাতে ঘুরতে যেত তখন মূর্তি দেখতো এরপর বলে নিজেই ঠাকুর তৈরী করবে। একদিন খাতাতে আর্ট করতো এরপর কাগজ কেটে ছোট ছোট মূর্তি তৈরি করতো। গোপাল,লক্ষী ও রাধাকৃষ্ণ ঠাকুর তৈরে করেছ। এরপরেই দূর্গা ঠাকুর বানাচ্ছে। আর বলেছে বাড়িতেই পূজা করবে আমরাও বলেছি যে আগে বানা তারপর পূজা করবো। মা সীমতা দেবনাথ বলেন বানাচ্ছে তার জন্য ভাল লাগছে খুশি আমরা। ওর ছোট থেকে ঠাকুর প্রতি আগ্রহ বেশি। ছোট ছোট ঠাকুর বানাতো। এরপর একদিন হাঠাত করে বলে মা আমি পূজা করবো তারপর বললাম কি পূজা করবি বলল দূর্গা প্রতিমা বানিয়ে দূর্গা পূজা করবো। তখন বললাম যা কিছু লাগবে বলিস তারপর বানাস। আর পোড়াশোনার ফাঁকে যা সময় পাচ্ছে এই প্রতিমা বানাচ্ছে।

Free Access

Related Articles