রাজ্যের খবর

হাত ছেড়ে পদ্ম ধরলেন সন্তোষ পাঠক, চৌরঙ্গী থেকে বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন দাপুটে নেতা?

Truth of Bengal: তৃণমূলের শক্ত অবস্থানের মধ্যেও নিজের রাজনৈতিক ভিত্তি ধরে রাখা কংগ্রেস নেতা সন্তোষ পাঠক অবশেষে দলবদল করলেন। কলকাতা পুরসভার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের এই কাউন্সিলর সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁর এই পদক্ষেপ কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা বলেই মনে করা হচ্ছে। একইসঙ্গে চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে।

প্রদেশ কংগ্রেসের পরিচিত মুখ সন্তোষ পাঠক দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রাজনীতিতে রয়েছেন। তিনি একাধিকবার কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছেন, যদিও জয় আসেনি। তবুও নিজের এলাকায় সাংগঠনিক ভিত্তি অটুট রেখেছিলেন তিনি। কিছুদিন ধরেই তাঁর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা শোনা যাচ্ছিল। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি সেই ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন বলে জানা যায়।

সোমবার সন্ধ্যায় নিউটাউনে বিজেপির দফতরে গিয়ে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত থেকে দলীয় পতাকা গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেন সন্তোষ পাঠক। সূত্রের খবর, আসন্ন নির্বাচনে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরতে পারে বিজেপি।

দলে যোগ দিয়ে সন্তোষ পাঠক বলেন, রাজ্যে বিরোধী রাজনীতির ক্ষেত্র ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে। তাঁর মতে, তৃণমূল বিরোধী শক্তিকে জায়গা দিতে চাইছে না। তাই তিনি বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হয়ে রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যেতে চান। তিনি আরও জানান, বহুবার নির্বাচনে লড়াই করেও কংগ্রেসের পক্ষে তৃণমূলকে সরানো সম্ভব নয় বলে মনে হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এদিকে, শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “উনি ২২ বছর ধরে কাউন্সিলর। উনি দলবদলের রাজনীতি করেন না। পরিস্থিতি বাধ্য করেছে।” অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এই ঘটনাকে ঘিরে কটাক্ষ করা হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে এক মুখপাত্র লেখেন, “গান্ধীর ভাবনাচিন্তা নিয়ে যে চলত তিনি এখন গডসের পথে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।”

Related Articles