মোটরসাইকেলের ফুটরেস্ট থেকে ৪৬১.২৯০ গ্রাম সোনা উদ্ধার বিএসএফের, বাজার মূল্য ৫৫ লক্ষ টাকা!
অবৈধ সোনা পাচারের চেষ্টাকারী এক ধূর্ত চোরাকারবারিকে গ্রেফতার করে বিএসএফ
Truth Of Bengal: ফের মুর্শিদাবাদে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ সোনা। ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথগঞ্জের বয়রাঘাট সীমান্তে মোতায়েন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের ৭১তম ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি মোটর সাইকেলের ফুটরেস্টে লুকিয়ে রাখা ৪৬১.২৯০ গ্রাম সোনা উদ্ধার করে। যার বাজার মূল্য ৫৫ লক্ষ টাকারও বেশি। অবৈধ সোনা পাচারের চেষ্টাকারী এক ধূর্ত চোরাকারবারিকে গ্রেফতার করে বিএসএফ।
আরও পড়ুনঃ এসআইআরের বিরোধিতা করলেন শাসকদলের নেতা, কী বললেন তিনি?
বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম তোতা সেখ, বাড়ি মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ থানার পিরোজপুর। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, আজ সকালে মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথগঞ্জের বয়রাঘাট সীমান্তে বিএসএফের ৭১তম ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে পিরোজপুর গ্রামের এক ব্যক্তি সীমান্ত ফাঁড়ি এলাকা দিয়ে বাংলাদেশ থেকে চোরাচালান করে অবৈধ সোনা নিয়ে যাচ্ছে। এই তথ্য পাওয়ার পর, চেকপয়েন্টে মোতায়েন কর্মরত বিএসএফ জওয়ানদের উচ্চ সতর্কতা জারি করে বিএসএফ আধিকারিক। মোটরসাইকেল আরোহী এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করে আধিকারিকরা। শুরু হয় তল্লাশি। তারপরেই মোটরসাইকেলের ভিতর থেকে দুটি সোনার বিস্কুট এবং দুটি ছোট সোনার টুকরো উদ্ধার করা হয়। বিএসএফ জওয়ানরা চোরা কারবারীকে গ্রেফতার করে। সোনা উদ্ধার করে এবং পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য বর্ডার আউটপোস্ট বয়রাঘাটে নিয়ে আসে।
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal
বিএসএফ ধৃতকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন যে মোটরসাইকেলটি তাকে অন্য একজন স্থানীয় ব্যক্তি দিয়েছিলেন, যা তাকে অন্য কাউকে দেওয়ার কথা ছিল। এই কাজের জন্য তাকে ২,০০০/- টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিএসএফ জওয়ানরা কাজ শেষ করার আগেই তাকে গ্রেফতার করে।

উদ্ধার হওয়া সোনার মোট ওজন ৪৬১.২৯০ গ্রাম, যার আনুমানিক মূল্য ৫৫,৩৫,৪৮০/- টাকা। ধৃত চোরাকারবারীকে উদ্ধার হওয়া সোনা এবং মোটরসাইকেল শুল্ক দফতরের হাতে হস্তান্তর করা হয়। ধৃতকে আদালতে পাঠালে বিচারক তাকে ১৪ দিনের হেফাজত দেন।
‘বিএসএফ সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার’এর জনসংযোগ আধিকারিক সোনা চোরাচালান সম্পর্কিত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং জওয়ানদের প্রশংসা করে বলেছেন যে, “সীমান্তরক্ষী বাহিনী, তার শক্তিশালী গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক এবং সতর্ক জওয়ানদের ধন্যবাদ৷ ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে সকল ধরণের অবৈধ কার্যকলাপের ওপর কড়া নজর রাখে।” তিনি সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের কাছে আবেদন করেছেন যে, সোনা চোরাচালান সম্পর্কিত কোনও তথ্য পেলে, তা অবিলম্বে ‘সীমা সাথী’ হেল্পলাইন নম্বর ১৪৪১৯ অথবা হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ৯৯০৩৪৭২২২৭-এ বার্তা বা ভয়েস বার্তার মাধ্যমে বিএসএফ-এর সাথে শেয়ার করুন। নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য উপযুক্ত পুরষ্কার দেওয়া হবে এবং তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।





