“স্বামীর ভাগ কাউকে দেবো না” বউয়ের দাবিতে তাজ্জব এলাকাবাসী
"I will not give husband's share to anyone" Tajjab local residents demanded from the wife

The Truth Of Bengal : নদিয়া, মাধব দেবনাথ : “আমার স্বামীর ভাত কাউকে দেবো না” এই দাবি তুলে এবার স্বামীর বাড়ির সামনে ধরনায় বসল প্রথম পক্ষের স্ত্রী। এই ঘটনায় তাজ্জব এলাকার মানুষ। এই আশ্চর্যজনক ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার জেলার অন্তর্গত শান্তিপুর থানার মদন গোপাল ঠাকুর লেন এলাকায়।
স্বামীকে ভালোবেসে বাড়ি ছাড়া কিংবা কষ্ট করে দুজনে মিলে এক ছাদের তলায় দুবেলা কোনরকমভাবে বেঁচে থাকার লড়াই বহুবার প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু বরকে ভালোবেসে তাদের সংসারে অন্য কাউকে ঢুকতে না দেওয়ার জন্য স্বামীর ভাত একপ্রকার আঁকড়ে বসে থাকা একেবারেই বিরল। তবে শুনতে খানিকটা অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। সম্প্রতি এমনই এক ঘটনা ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে নদিয়ার জেলার অন্তর্গত শান্তিপুর থানার মদন গোপাল ঠাকুর লেন এলাকায়।
গৃহবধূর দাবি কী?
প্রথম পক্ষের স্ত্রী মন্দিরা বিশ্বাসের দাবি, তার একটি দু বছরের সন্তান রয়েছে। অভিযোগ, তাকে না জানিয়ে তার স্বামী মধুসূদন বিশ্বাস অপর একটি বিয়ে করে সেই বউ নিয়ে সংসার করে। কিন্তু অপরদিকে যখন মন্দিরাকে বিয়ের পর থেকে তার স্বামী তাকে ভাত কাপড় দিত না। মাঝেমধ্যেই অশান্তি করত। তাই অবশেষে নিরুপায় হয়ে বাবার বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ তিনি শুনতে পান তার স্বামী মধুসূদন আবার বিয়ে করেছে। সেই খবর পেয়ে তার শ্বশুরবাড়িতে তিনি ছুটে আসেন। এরপর তাদের সন্তান এবং তার দাবি রাখলে শশুর, শাশুড়ি, স্বামী সকলেই তাকে মারধর করে। এরপর তিনি সিদ্ধান্ত নেন, “আমার স্বামীর ভাত কাউকে দেবো না”। আর সেই দাবি তুলে রীতিমত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে স্বামীর বাড়ির সামনের রাস্তায় ধরনায় বসে পড়েন।
স্থানীয়দের দাবি, স্বামী স্ত্রীর এই সম্পর্কের মধ্যে তারা নাক গলাতে চান না। তবে বিষয়টি চোখের সামনে দেখে তাতে করে অনেকটাই পরিষ্কার হয় যে এই ঘটনায় ছেলের দোষ রয়েছে। যদিও ইতিমধ্যে প্রথম পক্ষে স্ত্রী মন্দিরাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শান্তিপুর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। আর এই খবর পেয়েই বাড়ি ছেড়ে পলাতক স্বামী, দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী সহ পরিবার। স্বাভাবিকভাবেই স্বামীর বাড়ির সামনে স্ত্রীর ধরনা নিয়ে অবাক এলাকার মানুষ।






