Hoogly: ডিভিসির ছাড়া জলে দুর্ভোগে খানাকুল, বানভাসি অবস্থা বিভিন্ন জায়গায়
বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাজার দোকান থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে একমাত্র ভরসা নৌকা ও পানশি।
Truth of Bengal: ডিভিসির ছাড়া জলে হুগলির (Hoogly) খানাকুলে দুর্ভোগ অব্যাহত। রূপনারায়ণ ও মুণ্ডেশ্বরী নদীর জলে প্লাবন পরিস্থিতিতে জল যন্ত্রণার ছবি বহু গ্রামে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত খানাকুলের মাড়োখানা পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ অংশ। জমির ফসল কয়েকদিন আগেই জলের তলায় চলে গিয়েছে।ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাটের পাশাপাশি ডুবেছে স্কুলও। এর ফলে লাটে উঠেছে পড়াশোনা। বহু একতলা বাড়ি জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাজার দোকান থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে একমাত্র ভরসা নৌকা ও পানশি। বেশ কিছু গ্রামের রাস্তায় গাড়ি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ। কিছু জায়গায় মূল রাস্তায় ট্রাক্টরে চেপে পারাপার করছেন বন্যা কবলিত মানুষ।
[আরও পড়ুনঃ Messi: মেসির গোল থামতেই ছন্দপতন, হার ইন্টার মায়ামির আমেরিকান লিগে]
ইতিমধ্যেই দুর্গত এলাকায় প্রশাসনের তরফে খোলা হয়েছে ত্রাণ শিবির। সেখানে দুর্গতদের জন্য খাবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জলমগ্ন পরিস্থিতিতে কোথাও যাতে ইলেকট্রিক শটসার্কিটের মতো ঘটনা না ঘটে, তারজন্য বিদ্যুৎ দফতরের পক্ষ থেকে এলাকায় ঘুরে ঘুরে মাইকিং করে সচেতন করা হচ্ছে। এদিকে জলমগ্ন পরিস্থিতি আর কদিন থাকবে, তা ভেবে রাতের ঘুম উড়েছে এলাকার বাসিন্দাদের। (Hoogly)
এদিকে গঙ্গার ভাঙনে বেহাল পরিস্থিতি মালদার মানিকচকে। গঙ্গার জল বাড়তে না বাড়তেই ফের ভাঙন আতঙ্ক গ্রাস করেছে মালদার মানিকচকের জোতপাট্টা এলাকা বাসিন্দাদের। গত কয়েক দিন ধরেই মালদায় বর্ষার বৃষ্টি হচ্ছে পুরোদমে। সেই সঙ্গে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে গঙ্গার উচ্চ অববাহিকা এলাকায়। যার জেরে গত কয়েক দিন ধরেই মালদার মানিকচকে গঙ্গার জলস্তর ক্রমশ বাড়ছে। শুরু হয়েছে গঙ্গার ভাঙন। ভাঙন চলছে মানিকচকের জোতপাট্টা থেকে রামনগর পর্যন্ত প্রায় আটশো মিটার এলাকা জুড়ে। যা নিয়ে ভাঙন আতঙ্কে রীতিমতো দিশেহারা হয়ে পড়েছেন জোতপাট্টা এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, গত কয়েক বছর ধরেই তাঁদের এলাকায় গঙ্গা আগ্রাসী থাবা বসিয়ে আসছে। ইতিমধ্যে গঙ্গার আগ্রাসী ভাঙনে একাধিক জনপদ তলিয়ে গেছে গঙ্গাগর্ভে। (Hoogly)
[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/]
বর্তমানে মালদার মানিকচকের জোতপাট্টা এলাকায় নদীবাঁধ থেকে প্রায় ৫০ মিটার দূর দিয়েই বয়ে চলেছে ভয়ংকরী গঙ্গা। নদীর জল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে নদীভাঙন। ভাঙন আরও তীব্রতর হয়েছে, যা দেখে আতঙ্কে বুক কেঁপে উঠছে বাসিন্দাদের। নতুন করে ঘরবাড়ি, ভিটেমাটি হারানোর আশঙ্কাও করছেন তাঁরা। তাই তাঁরা চান, প্রশাসন এগিয়ে এসে ভাঙন রোধে দ্রুত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুক। (Hoogly)






