‘বালির টাকা সরাসরি যেত ক্যামাক স্ট্রিটে’, অভিষেককে নিশানা শুভেন্দুর
শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের সভা থেকে তাঁর অভিযোগ, অতীতে বালি কারবারের টাকা সরাসরি কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে যেত
Truth of Bengal: বালি পাচার ইস্যুতে ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের সভা থেকে তাঁর অভিযোগ, অতীতে বালি কারবারের টাকা সরাসরি কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে যেত। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই ব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে দুর্নীতিতে যুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সব চোরেদের জেলে যেতে হবে।” শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানে পৌঁছে প্রথমে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পুজো দেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে পুলিশ লাইন মাঠের সভায় যোগ দেন। সেখানে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন ক্ষেত্রে কী কী পদক্ষেপ করেছে, তার খতিয়ান তুলে ধরেন তিনি। সেই বক্তব্যের মধ্যেই উঠে আসে বালি কারবারের প্রসঙ্গ।
শুভেন্দুর দাবি, “ভোটের আগে বালি জমিয়েছিল। ভেবেছিল পরে ব্যবসা হবে। কিন্তু জিততে তো পারেনি। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরই সব বন্ধ করে দিয়েছি।” এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে তাঁর অভিযোগ, “বালি পাচারের টাকা সরাসরি যেত ক্যামাক স্ট্রিটে।” যদিও এই অভিযোগ নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদনের তথ্যের মধ্যে নেই। বালি খাদান নিয়েও এদিন বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, অক্টোবর থেকে বালি খাদান চালু হলে বাজারে বালির দাম কমবে। পশু হাট নিয়েও সরকারের অবস্থান তুলে ধরে শুভেন্দু বলেন, পশু হাট চালু করা হয়েছে এবং সেখানে গবাদি পশুর উপর অত্যাচার বরদাস্ত করা হবে না। দুগ্ধপালকদের গরু কেনাবেচার ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
মাদক কারবার নিয়েও কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। “নেশামুক্ত বাংলা” গড়ার কথা বলে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি ধর্মান্তরণ, ‘লাভ জিহাদ’ এবং ‘ল্যান্ড জিহাদ’ রুখতে আইন আনার কথাও সভা থেকে জানান শুভেন্দু। দুর্গাপুজো নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজো করতে দেব না। অষ্টমীর দিন কোনও মদের দোকান খোলা যাবে না।” একই সঙ্গে ডিজে সংস্কৃতি নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।






