পুজোর আগেই মেরামত শহরের ৫০০ রাস্তা! উদ্যোক্তাদের অভিযোগে পুরসভা ও পুলিশের উদ্যোগ
বৈঠকে লালবাজারের শীর্ষকর্তাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন দমকল, পুরসভা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ এবং বিদ্যুৎ সংস্থার প্রতিনিধিরা
Truth of Bengal: দুর্গাপুজোর আগে শহরের বেহাল রাস্তা মেরামতে উদ্যোগী হল পুরসভা ও পুলিশ। পুজো উদ্যোক্তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে মহালয়ার মধ্যেই অন্তত ৫০০টি রাস্তা সারানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার নজরুল মঞ্চে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করেন পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা। বৈঠকে লালবাজারের শীর্ষকর্তাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন দমকল, পুরসভা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ এবং বিদ্যুৎ সংস্থার প্রতিনিধিরা। পুজো পরিচালনা, নিরাপত্তা, ট্রাফিক, অগ্নিসুরক্ষা ও বিসর্জন—সব দিক নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয়। লালবাজার জানিয়েছে, দুর্গাপুজোর প্রতিমা বিসর্জন করতে হবে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবরের মধ্যে। লক্ষ্মীপুজোর বিসর্জনের জন্য ২৬ ও ২৭ অক্টোবর নির্ধারিত হয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে পুজোমণ্ডপগুলি পরিদর্শনের কাজ শুরু করবে প্রশাসন।
এবার মণ্ডপগুলিতে সাইবার কিয়স্কের ব্যবস্থাও থাকছে। এখনও পর্যন্ত ‘ওয়ান উইন্ডো’ সহজ দুর্গা পোর্টালে ৩,০২৪টি পুজো কমিটি আবেদন জানিয়েছে। আরও কয়েকটি কমিটি আবেদন করতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসন। গত বছরের মতো এবারও সেরা পুজোগুলিকে পুরস্কৃত করবে পুলিশ। সমন্বয় বৈঠকে পুলিশ কমিশনার উদ্যোক্তাদের স্পষ্ট জানিয়েছেন, চাঁদা তুলতে হবে আইন মেনেই। বিদ্যুৎ সংযোগ, অগ্নিসুরক্ষা, মণ্ডপের কাঠামো এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে ইতিমধ্যেই পুলিশের তরফে সিসিটিভি বসানো হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও ক্যামেরা বসানো হবে।
একই সঙ্গে পুজো কমিটিগুলিকেও মণ্ডপ ও সংলগ্ন এলাকায় পর্যাপ্ত সিসিটিভি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মণ্ডপের চারপাশে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। বৃদ্ধ, শিশু এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের সহায়তার জন্য পৃথক বুথ তৈরির কথাও বলা হয়েছে। ডিজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা থাকবে বলে জানানো হয়েছে। কোনও সমস্যা বড় আকার নেওয়ার আগেই যাতে তা মেটানো যায়, তার জন্য পুজো কমিটিগুলিকে সারাক্ষণ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।






