চিকিৎসকদের আন্দোলন যথাযথ, ‘ফোঁস’ শব্দের ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে: মুখ্যমন্ত্রী
Doctors' agitation is right, word 'drop' is misinterpreted: CM

Truth Of Bengal : বুধবার কলকাতার মেয়ো রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে এসে পরমসাধক শ্রী রামকৃষ্ণের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বার্তা দিয়েছিলেন, ‘অশান্তি চাইনা। কিন্তু চক্রান্তকারীদের মুখোশ খুলে দিয়ে ফোঁস করতে শিখুন।’ ফোঁস কথাটা নিয়েই ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। উস্মা প্রকাশ করে বৃহস্পতিবার এক্স হ্যান্ডেল বার্তা দিবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন, তার বক্তব্য নিয়ে বেশ কিছু সংবাদ ভিত্তিক মাধ্যম অপব্যাখ্যা করছে।
টিএমসিপি-র অনুষ্ঠানে বক্তব্য রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই ভুল বা অপব্যাখ্যা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী এটাও বলেছেন, কিংবদন্তি সাধক শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসের একটি উদ্ধৃতি তিনি উল্লেখ করেছেন। মাঝে মাঝে আওয়াজ তুলতে হয়। ফৌজদারি বা কোন অপরাধের প্রতিবাদ করতে হলে আওয়াজ তুলতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাখায়, ভারতীয় জনতা পার্টির বিরুদ্ধেই কথা। কেন্দ্রীয় সরকারের মদতে বিভিন্ন সময়ে পশ্চিমবঙ্গে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা হচ্ছে। বিভিন্ন সময় গণতন্ত্র বা ফেডারেল স্ট্রাকচারকে ভেঙে ফেলার চক্রান্ত করছে কেন্দ্রীয় সরকার।
‘আমি এর বিরুদ্ধেই আওয়াজ তুলতে বলেছি’, এক্স হ্যান্ডেল বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর। এর পাশাপাশি চিকিৎসকদের আন্দোলনের প্রতিও প্রথম দিন থেকে এখনো পর্যন্ত তিনি সহানুভূতিশীল তাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজের ঘটনায় পরিপ্রেক্ষিতে জুনিয়র ডাক্তার সহ বিভিন্ন চিকিৎসক মহলের আন্দোলনকে সমর্থন করে এসেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।
এমনকি আরজি করের ঘটনায় দোষীর ফাঁসি চেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স হ্যান্ডেল বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আমি জোরালো এবং অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলতে চাই, পড়ুয়া তথা চিকিৎসকদের আন্দোলনের বিরুদ্ধে একটি শব্দ উচ্চারণ করা হয়নি। ‘আমি তাদের আন্দোলনকে সম্পূর্ণ সমর্থন করি। কারণ তাদের আন্দোলন ন্যায্য। সম্পূর্ণ সহানুভূতি দিয়েই আন্দোলনকে সমর্থন করেছি।’ মুখ্যমন্ত্রীর সাফ বক্তব্য। তিনি আরো জানিয়েছেন,’আমার বক্তব্যকে নিয়ে কিছু মানুষ আমাকে অভিযুক্ত করছেন। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা’।
আরজি কর ঘটনার প্রথম থেকেই মুখ্যমন্ত্রী চিকিৎসকদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন এবং সহানুভূতিশীলতা প্রকাশ করেছিলেন। বহু গরীব মানুষ বেসরকারি হাসপাতালে যেতে পারেন না। তাই তাদের ভরসা সরকারি হাসপাতাল। সেই কারণে বুধবারের টিএমসিপি-র অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেও চিকিৎসকদের কাজে ফেরার অনুরোধ করেন মুখ্যমন্ত্রী।






