কলকাতারাজ্যের খবর

মন্ত্রী হতে চান! কুপার্স ক্যাম্পে ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা’য় মনের কথা বললেন দিলীপ ঘোষ

তিনি মনে করেন, মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলে তিনি কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি সরাসরি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আরও বেশি সক্ষম হবেন।

Truth Of Bengal: রাজ্যে আসন্ন নির্বাচনে জয় এবং সরকার গঠন নিয়ে ১০০ শতাংশ আশাবাদী বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার নদীয়ার কুপার্স ক্যাম্পে আয়োজিত এক ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা’ থেকে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং রাজ্যের প্রশাসনিক রদবদল নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। দিলীপবাবুর সাফ কথা, সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে গেলে ক্ষমতার প্রয়োজন, আর সেই কারণেই তিনি মন্ত্রী হতে চান।

এদিনের সভায় দিলীপ ঘোষ বলেন, অবশ্যই মন্ত্রী হবেন। মন্ত্রী না হলে সাধারণ মানুষকে সুবিধা দেবেন কী করে? তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের গরিব কল্যাণ যোজনার সুবিধা ও সামগ্রীগুলো প্রকৃত অভাবী মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য রাজ্যে বিজেপি সরকারের প্রয়োজন। তিনি মনে করেন, মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলে তিনি কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি সরাসরি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আরও বেশি সক্ষম হবেন।

রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে বিজেপি নেতা অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে আবাস যোজনা থেকে শুরু করে শৌচাগার তৈরির টাকা— সবকিছুতেই লুটপাট চলছে। তৃণমূলের ‘কেন্দ্রীয় বঞ্চনা’র পাল্টা দিয়ে তিনি বলেন, “জল জীবন মিশন থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বহু টাকা লুট হয়ে যাচ্ছে।” এই দুর্নীতির প্রতিবাদেই বিজেপি রাজ্যজুড়ে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ করছে বলে তিনি জানান।

এদিন ভাষণে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শের কথা মনে করিয়ে দেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ওপার বাংলা থেকে আসা মানুষদের সম্মানের সঙ্গে বাঁচার অধিকার দিতে চেয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদবাবু। তাঁর সেই অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণ করতেই সিএএ (CAA) কার্যকর করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যে বিজেপি সরকার না এলে উদবাস্তু ও উদ্বাস্তুদের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের আয় বৃদ্ধির প্রসঙ্গেও সুর চড়ান তিনি। তাঁর অভিযোগ, মোদী সরকার কৃষকদের স্বার্থে একাধিক প্রকল্প আনলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার তা কার্যকর হতে দিচ্ছে না। তাঁর মতে, রাজ্যে এর আগে পরিবর্তনের চেষ্টা হলেও তা মাঝপথে থমকে গিয়েছে। তাই এবার গ্রামগঞ্জ থেকে লড়াই শুরু করে আন্দোলনের মাধ্যমে প্রকৃত পরিবর্তন আনতে চায় বিজেপি।

Related Articles