“ডাল-ভাতের আগে গুলি খেতে হবে!”, বারুইপুর এনকাউন্টারের দাওয়াই দিয়ে কাকে হুঁশিয়ারি দিলীপের?
"পুলিশ শুধু বের করবে আর ট্রিগার টিপবে!", দিলীপ ঘোষের 'দাবাং' হুঙ্কার ঘিরে ফের উত্তপ্ত রাজনৈতিক ময়দান!
Truth of Bengal: সামনে দুর্গাপুজো, আর তার আগেই খড়গপুর শহরকে অপরাধ ও মাফিয়ামুক্ত করতে আবার নিজের চেনা ‘দাবাং’ অবতারে ফিরলেন প্রবীণ বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। অপরাধীদের ঠাণ্ডা করতে প্রয়োজনে বারুইপুরের মতো এনকাউন্টার করার খোলা ছাড়পত্র দিলেন পুলিশকে। খড়গপুর পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে এক দলীয় কার্যালয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, গুন্ডা-মাফিয়াদের সামলাতে যা করার দরকার পুলিশ তাই করবে। তাঁর স্পষ্ট কথা, “পুলিশ শুধু বন্দুক বার করবে আর ট্রিগার টিপবে।”
রবিবার নিজের পুরনো সংসদীয় ক্ষেত্র খড়গপুরে দাঁড়িয়ে এভাবেই আক্রমণাত্মক মেজাজে একের পর এক হুঙ্কার দেন তিনি। শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও মাফিয়ারাজ নিয়ে বলতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ সাফ জানান, “কোনও মাফিয়া-গুন্ডা খড়গপুরে থাকতে পারবে না। খড়গপুরে পা রাখলে ডাল-ভাত খাওয়ার আগে গুলি খেতে হবে।” পুজোর আগেই সমস্ত অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধ করার বার্তা দিয়ে তিনি যোগ করেন, শহর শান্ত রাখতে যা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন, তা করা হবে। কোনও রকমের উৎপাত বরদাস্ত করা হবে না।
পাশাপাশি, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও সুর চড়ান এই বিজেপি নেতা। তিনি অভিযোগ করেন, এতদিন পুলিশ এবং স্থানীয় কতিপয় নেতার আঁতাতে মাফিয়ারাজ চালানো হয়েছিল। তবে এখন আর সেই পরিস্থিতি থাকবে না বলে তিনি সতর্ক করেন। বারুইপুরের সাম্প্রতিক এনকাউন্টারের প্রসঙ্গ টেনে এনে তিনি মন্তব্য করেন, পুলিশ যেন কোনও রাজনৈতিক দলের ক্যাডার হিসেবে কাজ না করে। যদি প্রয়োজন হয়, তবে কঠোর পদক্ষেপে এনকাউন্টারের পথেই হাঁটতে হবে।
পুলিশের ভূমিকাকে সমর্থন জানিয়ে দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, অনেকে অভিযোগ করেন পুলিশ নাকি অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করছে। কিন্তু তিনি চান শহরকে শান্ত রাখতে মাফিয়াদের দমনে পুলিশ কড়া পদক্ষেপই গ্রহণ করুক। তাঁর দাবি, পুলিশের বাড়াবাড়িতে যদি শহর শান্ত ও সুরক্ষিত থাকে, তবে তাতে কোনও ভুল নেই। এই ধরনের কড়া বার্তা ও এনকাউন্টারের হুমকি সামনে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে ফের নতুন করে বিতর্কের ঝড় উঠেছে।





