
The Truth of Bengal: নদীর বালি অনেকসময়ই হয়ে ওঠে চোখের বালি। গ্রাউন্ড রিয়ালিটি বুঝে ময়দানে নামে প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তৈরি হয় ‘মাইন অ্যান্ড মিনারেল কর্পারেশন ’। তারাই বালি খাদানের ই-নিলামের দায়িত্ব নিয়েছে।বালির মতোই মাটি চুর সহ পরিবেশ ধ্বংসকারী গাজোয়ারি মুনাফার কারবার রুখতে পুরোপুরি যে প্রস্তুত তা আমাদের ক্যামেরায় বারবার ধরা পড়েছে।
গঙ্গাসাগর থেকে বীরভূম যেখানেই মাটি মাফিয়ারা হাত বাড়িয়েছে সেখানেই আমরা সবার আগে খবর করেছি।সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেই বাংলা জাগো আবারও বাস্তুতন্ত্র ও পরিবেশ রক্ষার সংবেদনশীল ভূমিকায়। কয়েকদিন ধরেই খোঁজ মিলছিল,কুলটির ১৬নম্বর ওয়ার্ডে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে মাটি লুঠ চলছে।আর জমি হাতানোর ছক কাজে লাগাতে সবুজ নিধনও করা হচ্ছে।
মহাকাল শিবমন্দিরের অধীনে রয়েছে জমি। জমি কমিটির সেই জমিই এখন মুনাফাবাজদের কব্জায় চলে আসছে।থাবা পড়ছে ধর্মীয় স্থান সংলগ্ন ভূমিতে। রেরে করে উঠেছেন ধর্মপ্রাণ মানুষ, প্রতিবাদে মুখর পরিবেশপ্রিয়রা। আসানসোল পুরকর্তা থেকে পুরপ্রশাসনের আধিকারিক সকলেই এই অবৈধ জমির কারবার রুখতে তত্পরতা শুরু করেছে।সবুজরক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে আমাদের ক্যামেরা নাগরিকদের দাবি ও আবেদন তুলে ধরতে সাহায্য করায় কুলটির বাসিন্দারাও তার তারিফ করছে।





