রাজ্যের খবর

আবর্জনার স্তূপ থেকে গোছা গোছা আসল আধার কার্ড উদ্ধার! আলিপুরদুয়ারে চাঞ্চল্য

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও সিআইডি

Truth of Bengal: আবর্জনার স্তূপ থেকে উদ্ধার হল গোছা গোছা আসল আধার কার্ড। বুধবার আলিপুরদুয়ার পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে বিষয়টি নজরে আসে এক নির্মল বন্ধু কর্মীর। পরে আধার কার্ড ভর্তি ব্যাগটি স্থানীয় কাউন্সিলর অরূপা রায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও সিআইডি। কীভাবে এতগুলি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্র আবর্জনার মধ্যে এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিন সকালে ভ্যানে করে বাড়ি বাড়ি থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করছিলেন এক নির্মল বন্ধু কর্মী। পুলিশ ফাঁড়ির কাছাকাছি এলাকায় আবর্জনার মধ্যে একটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। সন্দেহ হওয়ায় ব্যাগটি পরীক্ষা করতেই ভিতরে একের পর এক আধার কার্ড দেখতে পান। এরপরই তিনি বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলরকে জানান।

কাউন্সিলর অরূপা রায় ব্যাগটি খুলে প্রথমে ভেবেছিলেন, আধার কার্ডগুলি হয়তো ভুয়ো। কিন্তু পরে খতিয়ে দেখে তাঁর দাবি, সবকটিই আসল। কার্ডগুলি জল ও কাদায় ভিজে গিয়েছিল। পরিষ্কার করার পর দেখা যায়, অধিকাংশ কার্ড শামুকতলা থানার দক্ষিণ চেপানি এলাকার বাসিন্দাদের নামে ইস্যু করা। এরপরই পুলিশকে খবর দেন কাউন্সিলর। পাশাপাশি বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় শুরু হয় হইচই। তদন্তে নামে স্থানীয় পুলিশ এবং সিআইডির আধিকারিকরা। আধার কার্ডগুলি কোথা থেকে এসেছে, কারা সেগুলি ওই জায়গায় ফেলে গিয়েছে এবং এর পিছনে কোনও গাফিলতি বা অন্য কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অরূপা রায়ের কথায়, আধার কার্ড একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি। তাই কার্ডগুলির প্রকৃত মালিকদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। তিনি সমাজমাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে পোস্ট করেছেন, যাতে সংশ্লিষ্ট বাসিন্দারা পরিচয়পত্রগুলি ফেরত পেতে পারেন। কাউন্সিলরের বক্তব্য, সাধারণত পোস্ট অফিসের মাধ্যমেই আধার কার্ড বিতরণ করা হয়। তাই দক্ষিণ চেপানি এলাকার বাসিন্দাদের কার্ড কীভাবে আলিপুরদুয়ার শহরের আবর্জনার স্তূপে এসে পৌঁছল, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

Related Articles