
The Truth of Bengal: আঠারোর পঞ্চায়েতে ভীতিপ্রদর্শনের অভিযোগ তুলে সরগরম করেছিল বিরোধীরা। তেইশে সেই অভিযোগের অস্ত্র অনেকটাই ভোঁতা। গ্রামবাংলার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ৮২২কোম্পানি দিয়েই ৬১হাজারের ওপর বুথে ভোট করার সিদ্ধান্তে অনড় কমিশন। এবারের ভোট সবদিক থেকেই একটু ভিন্ন। তবুও বিরোধীরা শোরগোল ফেলছে। বিরোধীতার জন্য বিরোধিতা করছে। তৃণমূলের সেই অভিযোগের মাঝেই এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের পঞ্চায়েতের ওপর জোর দিলেন। কথা দিলেন,ক্ষমতায় এলে সমস্ত ঋণ শোধ করবেন।
দুর্নীতি-ক্ষমতার অপব্যবহার রুখতে ৩ মাস অন্তর প্রধানদের ভূমিকা পর্যালোচনা করার কথাও দিয়েছেন অভিষেক।নারায়ণগড়ের সভা থেকে বিজেপির বাংলাকে পদে পদে হেনস্থা ও পাহাড়প্রমাণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে সুর চড়ান তিনি। বিরোধীদের রাজনৈতিক অভিসন্ধি বানচাল করতে আরও সংঘবদ্ধ লড়াইয়ের ডাক দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একশদিনের কাজ থেকে আবাসের ১ লক্ষ ১৫ হাজার কোটি টাকার বকেয়া না দেওয়ায় দিল্লি চলোর আওয়াজ আরও উচ্চস্বরে জানান। কেন্দ্র টাকা না দিলেও একশদিনের প্রকল্পের জবকার্ড হোল্ডারদের বিকল্প কাজ দিয়েছে বাংলার সরকার,তৈরি করা হচ্ছে রাস্তা।
৪হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তাশ্রী-পথশ্রী প্রকল্পে ১২হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল –বিজেপির রাজনীতির কোথায় মৌলিক পার্থক্য তাও বোঝান তিনি। অভিষেক বোঝান, বিজেপির কাছে সবকিছু আছে তবুও কিছু নাই। কিন্তু তৃণমূলের কাছে কিছু নেই তবুও সব আছে, কারণ মানুষ তৃণমূলের সঙ্গে আছে। তাঁর তোপ, বিজেপি মুখে বড় বড় কথা বলে কাজ করে না। শাসকদলের সিম্বল নিয়ে দলের যারা জ্বালিয়েছেন তাদের একটি ও ভোট দেবেন না। নির্দলে যারা দাড়িয়েছে তাদের তৃণমূল আর দলে নেবেনা সাফ হুংকার অভিষেকের।






