
The Truth of Bengla: দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুরের চম্পাহাটির হাড়াল আতশবাজির জন্য বিখ্যাত। সারা বছরই এই এলাকায় বাজি তৈরি হয়। মূলত আলোর বাজি তৈরিতে এই এলাকার নাম রয়েছে যথেষ্ট। প্রতিবছর দুর্গাপুজো মিটলেই এখানে বসে বাজির মেলা। কালীপুজো বা দীপাবলির কয়েকদিন আগে এই বাজি বাজারে মানুষের ভিড় লেগেই থাকে। কিন্তু এবার চিত্রটা সম্পূর্ণ আলাদা। আগের বারের মতো সেই ভিড় দেখা যাচ্ছে না। কয়েক জায়গায় দুর্ঘটনার জন্য এবার পুলিশ তৎপরতা একটু বেশিই আছে। আর সেই পুলিশের ভয়ে ক্রেতারা খুব একটা আসছে না বাজি বাজারে।
এই পরিস্থিতিতে বাজি ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকারি নিয়ম মেনে বাজি কেনাবেচা হলেও ক্রেতারা আসছেন না। পুলিশ-প্রশাসনকে এ বিষয়ে সচেতন করা উচিত।এলাকার কয়েক লক্ষ মানুষ এই বাজি শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। সারা বছরের মধ্যে এই পুজোর মাসগুলিতে তাঁরা নানা ধরনের বাজি উৎপাদন করেন। সরকারি সমস্ত নির্দেশিকা মেনেই ব্যবসা করতে চান। না হলে শিবকাশীর বাজি বাংলার বাজার দখল করবে। ব্যবসায়ীরা চান প্রশাসনিক সহযোগিতা।রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ফলে সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল বাজি তৈরির ক্ষেত্রে।
দীর্ঘ ১১ মাস বাজি তৈরি বন্ধ ছিল এই হাড়াল গ্রামেও। অবশেষে সরকারি লাইসেন্স প্রাপ্ত বাজি কারখানাগুলি বাজি তৈরির অনুমতি পায় মাত্র একমাস আগে। হাতে সময় কম থাকলেও দীপাবলির আগে তৈরির কাজ শুরু করেন দ্রুত গতিতে। কিন্তু, ক্রেতাদের তেমন দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। তবে নিয়ম মেনে ব্যবসা করলে বা ক্রেতারা কেনাকাটা করলে পুলিশ কিছু বলছে না। তাই অহেতুক পুলিশের ভয়ে বাজি বাজারে না আসার কোনও কারণ নেই বলে জানাচ্ছে প্রশাসন।
free access






