Uncategorizedরাজ্যের খবর

Civic Abuse: ছিঃ!! চুরির অপবাদে কান ধরিয়ে ওঠবস! অপমানে আত্মঘাতী বধূ, সিভিকের কুকীর্তিতে তোলপাড় বাংলা

A civic volunteer in Nadia, Bengal, is accused of public humiliation that allegedly drove a woman to suicide. The incident echoes a similar case in East Midnapore.

Truth Of Bengal: ফের কাঠগড়ায় সিভিক ভলেন্টিয়ার! ফুলচুরির অপবাদ দিয়ে এক প্রৌঢ়াকে কান ধরিয়ে ওঠবস করানোর অভিযোগ উঠল এক সিভিকের বিরুদ্ধে(Civic Abuse)। প্রৌঢ়ার কর্মস্থলে গিয়ে তাকে হেনস্থা করা হয় এবং সেই অপমানে তিনি আত্মঘাতী হন বলে অভিযোগ। শনিবার এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে নদিয়ার শান্তিপুর থানা এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতার নাম সরস্বতী দে।গত শুক্রবার ভোরে নৃসিংহপুর এলাকার বাসিন্দা মিলন করাতি নামে এক প্রতিবেশীর বাড়ির বাগান থেকে ফুল তুলছিলেন তিনি। মিলন পেশায় সিভিক ভলেন্টিয়ার। সরস্বতী একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী। পরিবারের দাবি, শুক্রবার ভোরে সিভিকের বাড়ির বাগান থেকে ফুল তোলার সময় ওই বাড়ির লোকজন প্রৌঢ়াকে গালমন্দ করেন। এখানেই বিষয়টি শেষ নয়। প্রৌঢ়াকে কান ধরিয়ে ওঠবস করান সিভিক ভলেন্টিয়ার। তবে কিছুক্ষণ পর কাজে চলে যান সরস্বতী। কিন্তু সেখানে গিয়েও সিভিকের পরিবার তাকে আবারও অপমান করে বলে অভিযোগ। তারপরই প্রৌঢ়া গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি পরিবারের।

[আরও পড়ুন: Nahid Islam: ‘রাজনীতির নিয়ম বদলাতে হবে’- বিস্ফোরক মন্তব্য নাহিদের]

শনিবার সকালে বাড়ির পাশে গোয়াল ঘর থেকে প্রৌঢ়ার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পরিবার(Civic Abuse)। সরস্বতীকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তাররা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ পরিবারের চার জনের নামে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তাদের দাবি সামান্য ফুল তোলার জন্য যেভাবে চুরির অপবাদ দিয়ে তাকে অপমান করা হয়েছে সেটা তিনি সহ্য করতে পারেননি। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। যদিও মিলনের পরিবারের তরফের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। রানাঘাট মহকুমা পুলিশ আধিকারিক গতকাল বলেন মানুষের হেনস্থা সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। মৃতার দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত করা হচ্ছে।

লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal

গত মে মাসে পূর্ব মেদিনীপুরের এক স্কুল পড়ুয়ার আত্মহত্যা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয় রাজ্যে(Civic Abuse)। সেবারও আঙুল ওঠে এক সিভিক ভলেন্টিয়ারের উপর। গোঁসাইবেড় গ্রামের বাসিন্দা শুভঙ্করের দোকানে গিয়েছিল বছর ১১ এর কৃষ্ণেন্দু দাস। দোকানের সামনে পড়ে থাকা একটি চিপসের প্যাকেট সে নিয়ে নিয়েছে। এই অভিযোগে ছেলেটিকে কান ধরিয়ে ওঠবস করানো হয়। পুলিশের ভয় দেখানো হয়, ছেলেকে শাসন করার জন্য মা তাকে মারধরও করেন। তারপরেই কীটনাশক খেয়ে ছেলেটি আত্মহত্যা করে বলে অভিযোগ। ওই মর্মে একটি সুইসাইড নোট মিলেছিল। তারপর একই ধরনের ঘটনা ঘটলো নদিয়ায়।

Related Articles