খেলা

ইন্দোরে নামার আগে আশীর্বাদ প্রার্থনা, রবিবারের ‘ফাইনাল’ জয়ের লক্ষ্যে মহাকালেশ্বর মন্দিরে কোহলি-কুলদীপ

সিরিজ জিততে তাই নির্ণায়ক ম্যাচে ফের কোহলির দিকেই তাকিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীরা।

Truth Of Bengal: নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় এক দিনের ম্যাচ রবিবার।তার আগে উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বর মন্দিরে পুজো দিলেন বিরাট কোহলি। শনিবার নিরাপত্তারক্ষী ও সেবায়তদের সঙ্গে দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম এই মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করেন ভারতীয় দলের তারকা ব্যাটার। পুজো দেওয়ার সময় কোহলির মুখে শোনা যায় ‘জয় শ্রী মহাকাল’ ধ্বনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ভারতীয় দলের স্পিনার কুলদীপ যাদব।

মন্দিরে কোহলির উপস্থিতির ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল।রবিবার ইন্দোরে হবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ এক দিনের ম্যাচ। সিরিজের ফলাফল এখন ১-১। ফলে এই ম্যাচই কার্যত ‘ফাইনাল’। প্রথম এক দিনের ম্যাচে ৯৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেছিলেন কোহলি এবং ম্যাচের সেরাও নির্বাচিত হন। যদিও দ্বিতীয় ম্যাচে প্রত্যাশামতো ব্যাট করতে পারেননি তিনি, সেই ম্যাচে হার মানে ভারত। সিরিজ জিততে তাই নির্ণায়ক ম্যাচে ফের কোহলির দিকেই তাকিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীরা।

মহাকালেশ্বর মন্দির, যা শিপ্রা নদীর তীরে অবস্থিত, তার প্রধান আকর্ষণ ভোরের ভস্মারতি। জানা গিয়েছে, সেই ভস্মারতির সময়ও উপস্থিত ছিলেন কোহলি। কপালে হলুদ প্রলেপ নিয়ে তিনি ও কুলদীপ যাদব মন্দিরের ভজনেও অংশ নেন। পরে গর্ভগৃহের সামনে মাথানত করে প্রণাম করেন দু’জনেই।একসময় পুজোপাঠে অনীহা ছিল—নিজের মুখেই সে কথা স্বীকার করেছিলেন বিরাট কোহলি। তবে জীবনের অভিজ্ঞতা, ফর্মের ওঠানামার সঙ্গে সঙ্গে বদল এসেছে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতেও। এখন যেখানে ম্যাচ খেলতে যান, সেখানকার মন্দিরে গিয়ে পুজো দিতে দেখা যায় তাঁকে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাঁর ঈশ্বরভক্তি নতুন কিছু নয়। দেশে ফিরলে বৃন্দাবনে প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে যেতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে, স্ত্রী অনুষ্কা শর্মার সঙ্গেও একাধিকবার সেখানে উপস্থিত ছিলেন কোহলি।

উল্লেখ্য, এর আগের দিন শুক্রবার একই মন্দিরে পুজো দেন ভারতের কোচ গৌতম গম্ভীর। পুজো শেষে গম্ভীর বলেন, এখানকার ব্যবস্থাপনা খুব ভালো। ভালোভাবে দর্শন করেছি। দল জয়ে ফিরবে বলে আত্মবিশ্বাসী।এবার সেই আশীর্বাদ সঙ্গে নিয়েই রবিবার ইন্দোরে সিরিজ নির্ণায়ক ম্যাচে নামবে ভারত।

Related Articles