শীর্ষ আদালতে রক্ষা পেলেন লক্ষ্য, তদন্তে দেওয়া হল স্থগিতাদেশ
Lakshya was saved in the Supreme Court, the investigation was stayed
Truth Of Bengal: কর্ণাটক হাইকোর্টে ধাক্কা খাওয়ার পর দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ভারতীয় শাটলার লক্ষ্য সেন। অবশেষে শীর্ষ আদালতে রায়ে স্বস্তি পেলেন তিনি। লক্ষ্য সেনের বিরুদ্ধে ওঠা তদন্তে আপাতত স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। লক্ষ্যর বিরুদ্ধে বয়স ভাঁড়ানোর জন্য তদন্তের যে নির্দেশ কর্ণাটক হাইকোর্ট দেয়। এমনকি ভারতীয় শার্টলারের বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্তও চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টে দুই বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়া ও বিচারপতি বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। আপাতত লক্ষ্যর বিরুদ্ধে কোনও তদন্ত করা যাবে না। এবং আগামী ১৬ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
উল্লেখ্য, লক্ষ্য সেন তাঁর বড় ভাই চিরাগ সেন এবং কোচ বিময় কুমারের বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন নাগরাজ এমজি। তাঁর অভিযোগ ছিল ভারতীয় শার্টলার লক্ষ্য এবং চিরাগের শংসাপত্রে কমপক্ষে তাঁদের প্রকৃত বয়সের থেকে আড়াই বছর কম করে দেখানো হয়েছে জুনিয়ার টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের জন্য। এরপরই শুরু হয় লক্ষ্যর বিরুদ্ধে তদন্ত। এই অভিযোগ পাওয়ার পর কর্ণাটকের মেট্রোপলিটন আদালতের মাননীয় বিচারক তদন্তের নির্দেশ দেন। তারপর ২০২২ সালে এএফআইআর করা হয়।
নাগরাজের করা এই অভিযোগের ভিত্তিতে লক্ষ্যর পরিবার ও তাঁর কোচ অভিযোগ করেছিলেন এই অভিযোগের কোনও বাস্তব প্রমাণ নেই। নাগরাজ নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এমন অভিযোগ করেছেন। তাঁরা উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘২০২০ সালে নাগরাজের মেয়ের স্থায়ী ক্যারিয়ার গড়ার জন্য প্রকাশ পাড়ুকান অ্যাকাডেমিতে ভর্তি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে ভরতি করতে না পেরে একপ্রকার হতাশই হয়ে লক্ষ্য সেন ও তাঁর পরিবারের সুনাম নষ্ট করার জন্যই নাগরাজ এমন অভিযেগ করছেন।’



