ইডেনে কেকেআর-এর হার! জয়ের রাতেও আম্পায়ারিং নিয়ে বিস্ফোরক পাওয়েল!
সীমারেখার কাছে ধরা সেই ক্যাচটি বৈধ ছিল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন দলের ক্রিকেটাররা।
Truth of Bengal: টানা দুই ম্যাচে আইপিএল ২০২৬-এ দেখা গেল শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই, যার নিষ্পত্তি হল শেষ বলে। লখনউ সুপার জায়ান্টসের জয়ের জন্য দরকার ছিল শেষ দুই বলে ৭ রান। তখন স্ট্রাইকে ছিলেন তরুণ ব্যাটার মুকুল চৌধুরী। প্রথমে এক দুর্দান্ত ছক্কা, তারপর শেষ বলে একটি রান— এইভাবেই ১৮২ রানের লক্ষ্য পূরণ করে দলকে জয় এনে দেন তিনি। তবে ম্যাচের রোমাঞ্চের আড়ালে থেকে গেল এক বড় বিতর্ক, যা নিয়ে এখনও ক্ষোভ কাটেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবিরের। তাদের তারকা ব্যাটার ফিন অ্যালেনের আউট হওয়ার ঘটনাটি নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। সীমারেখার কাছে ধরা সেই ক্যাচটি বৈধ ছিল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন দলের ক্রিকেটাররা।
ম্যাচ শেষে সাংবাদিক বৈঠকে স্পষ্টভাবেই ক্ষোভ উগরে দেন রভম্যান পাওয়েল। তিনি বলেন, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আম্পায়ারদের আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। তাঁর মতে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিভিন্ন দিক থেকে দৃশ্যটি ভালভাবে খতিয়ে দেখা দরকার ছিল। তিনি এটিকে সরাসরি আম্পায়ারদের ভুল বলেই উল্লেখ করেন, যদিও শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্তকেই ম্যাচ হারের একমাত্র কারণ হিসাবে দেখতে চাননি। যদি ওই সময় ফিন অ্যালেন আউট না হয়ে ছক্কা মারতে পারতেন, তাহলে দলের স্কোর আরও বাড়ত। সেই অতিরিক্ত রান ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারত। তাই এই সিদ্ধান্ত ঘিরে হতাশা আরও বেড়েছে কলকাতার শিবিরে। একসময় ম্যাচে এগিয়েই ছিল কলকাতা। শেষ দুই ওভারে প্রতিপক্ষের দরকার ছিল ৩০ রান, যা দেখে মনে হচ্ছিল জয় প্রায় নিশ্চিত। কিন্তু সেখান থেকেই ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন মুকুল। তাঁর ব্যাটিংয়ে ভর করেই লখনউ অবিশ্বাস্য জয় ছিনিয়ে নেয়।
পাওয়েল বলেন, নিজেদের ঘরের মাঠে হারটা আরও কষ্টদায়ক। সমর্থকদের সামনে জিততে পারলে আলাদা আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। কিন্তু সেই সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় হতাশা থেকেই যাচ্ছে। তবুও তিনি দলের লড়াইয়ের প্রশংসা করেন এবং স্বীকার করেন, প্রতিপক্ষের তরুণ ব্যাটার অসাধারণ খেলেছে। চলতি মরশুমে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স। তিনটি ম্যাচে হার এবং একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় তাদের শুরুটা একেবারেই ভাল হয়নি। ফলে আগামী ম্যাচগুলিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চাপ আরও বেড়ে গেল দলের উপর। সব মিলিয়ে, এই ম্যাচ শুধু রোমাঞ্চ নয়, সঙ্গে করে নিয়ে এসেছে বিতর্কও। আর সেই বিতর্কের রেশই এখনও কাটেনি কলকাতার ড্রেসিংরুমে।






