
The Truth of Bengal: ২০অক্টোবর পুজোর ঢাকে কাঠি পড়বে।উত্সবে মুখর হয়ে উঠবে সারা বাংলা। পুজোর রঙিন উত্সবে যাতে সবার মুখে হাসি ফোটে তাতে প্রশাসন একাধিক পরিকল্পনা কার্যকর করছে।বাংলার সম্পদ যাতে বাংলাতেই থাকে সেজন্য তাঁতিদের থেকে শাড়ি কিনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকারি সংস্থা তন্তুজ।মূল লক্ষ্য একটাই তাঁতিদের হাতে নগদ-নারায়ণ পৌঁছে দেওয়া।আর চিরন্তন শিল্পকে চাঙ্গা করা। পুজোর মরসুমে বিকিকিনির জন্য একদিকে অনলাইনে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা আর অন্যদিকে জেলায়- জেলায় বেচাকেনার বাজার খুলে দেওয়ার পথে এগোচ্ছে রাজ্য সরকার।
শনিবার পূর্বস্থলীর শ্রীরামপুরে রেকর্ড বেচাকেনা হয়।দেখা যায়, শুরুতেই সাড়া ফেলল তন্তুজের প্রয়াস।প্রায় ১৩লক্ষ টাকার শাড়ি কিনেছে তন্তুজ। তাঁত বস্ত্র সংগ্রহের শিবির ঘিরে শিল্পী থেকে ক্রেতা সবার কাছে আশার সঞ্চার করেছে। তন্তুজের স্পেশাল অফিসার ও মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ নিজে হাজির ছিলেন এই শিল্প-উদ্যোগের বেচাকেনার হাটে।তাঁতিরা এই ভাবনার দরাজ প্রশংসা করছেন। করোনা পরিস্থিতিতে তাঁতশিল্প কিছুটা ধাক্কা খায়। তাঁতশিল্পকে চাঙ্গা করতে তাঁতিদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দেয় রাজ্য সরকার। তাঁতিদের আর্টিজেন ক্রেডিট কার্ড দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রকৃত তাঁতিদের কাছ থেকে শাড়ির কেনার উদ্যোগ নিয়েছে তন্তুজ। ধাপে ধাপে লোকশানে চলা তন্তুজ এখন লাভের মুখ দেখেছে।ক্রেতারা এই নায্যমূল্যে শাড়ি পেয়ে পুজোর আগে প্রিয়জনদের হাতে তা তুলে দিচ্ছেন। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, লোকসানে চলা তন্তুজ আজ লাভের মুখ দেখেছে। মুখ্যমন্ত্রী চান প্রকৃত তাঁতিরা উপকৃত হন। তাই তন্তুজ একদম তাঁত শিল্পীদের থেকে শাড়ি কেনার জন্য ক্যাম্প করছে । এখন নিদিষ্ট মাপ ও গুণগত দিক পরখ করেই শাড়ি কেনা হচ্ছে।তাতেই দুর্গোত্সবের আগে ক্রেতা-বিক্রেতার মেলবন্ধন সার্থক রূপ পাচ্ছে।






