বাজি পোড়ানোর সময় বেঁধে দিল রাজ্য সরকার, জানুন বিস্তারিত
তিনি আরও বলেন, এ ব্যাপারে কোনও অভিযোগ থাকলে নির্দিষ্ট নম্বরে জানাতে হবে।
Truth Of Bengal: দুর্গাপুজোর সময় থেকেই শুরু হয়ে যায় উৎসবের মরসুম। কালীপুজো, দীপাবলি, ছটপুজো, বড়দিন ও নববর্ষ। এই সময়ে চারিদিক আলোয় ঝলমল করলেও আতশবাজির ফোয়ারায় দূষণ ও শব্দদূষণের ঝুঁকি থাকে। সেই কারণে কেন্দ্রীয় নির্দেশ মেনে আতশবাজি ফাটানোর নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিল রাজ্য সরকার (Firecracker Timing)। মঙ্গলবার বিধানসভায় এই বিষয়ে বিস্তারিত জানালেন পরিবেশমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। দীপাবলিতে বাজি পোড়ানো যাবে সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ১০টা (২ ঘণ্টা), ছটপুজোয় বাজি পোড়ানো যাবে সকাল ৬টা থেকে ৮টা (২ ঘণ্টা) এবং বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষে বাজি পোড়ানো যাবে রাত ১১টা ৫৫ মিনিট থেকে রাত ১২টা ৩০ মিনিট (৩৫ মিনিট)।
[আরও পড়ুন: পোলবায় গ্রেফতার দুই ভুয়ো পুলিশ, উদ্ধার ইউনিফর্ম ও অস্ত্রের সরঞ্জাম]
ভারতীয় জনতা পার্টির মুখ্য সচেতন তথা উত্তরবঙ্গের বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের এক প্রশ্নের উত্তরে উৎসবের সময় কতক্ষণ আতশবাজি ফাটানো যাবে তার সময় জানিয়ে দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সবুজ আতশবাজি ছাড়া অন্য কোনও আতশবাজির কেনাবেচা, আমদানি, মজুত ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ পশ্চিমবঙ্গে। এই নির্দেশ ভঙ্গ করলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে। মঙ্গলবার বিধানসভার অধিবেশনে জানিয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তিনি আরও বলেন, এ ব্যাপারে কোনও অভিযোগ থাকলে নির্দিষ্ট নম্বরে জানাতে হবে (Firecracker Timing)।
[আরও পড়ুন: Temple Collapse: ভেঙে পড়ল ঐতিহাসিক লক্ষ্মী নারায়ণ জিউ মন্দির]
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে বাজি সংক্রান্ত বিষয় কলকাতা হাইকোর্ট হয়ে পৌঁছেছিল সুপ্রিম কোর্টে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রক বোর্ড সবুজ আতশবাজি ছাড়া সব ধরনের বাজি নিষিদ্ধ করেছিল এবং সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছিল (Firecracker Timing)। সেই নির্দেশই এ বছরও কার্যকর থাকবে।






