ধর্মযুদ্ধ! ধর্ম নিয়ে বিজেপির উস্কানিমূলক রাজনীতির কড়া সমালোচনা মুখ্যমন্ত্রীর
Religious war! Chief Minister strongly criticizes BJP's provocative politics on religion

Truth Of Bengal: বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন রাজ্যে। এখন থেকেই যেন তার মহড়া শুরু হয়ে গিয়েছে। নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দলের বিশেষ অধিবেশন থেকে কার্যত নির্বাচনের ঘন্টা বাজিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলনেত্রীর নির্দেশে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা নেমে পড়েছেন ময়দানে। অন্যদিকে বিধানসভার অধিবেশনে বিজেপি তাদের স্বভাবসিদ্ধ রাজনীতি বজায় রেখেছে।
বিশেষ করে ধর্মকে হাতিয়ার করে রাজনীতির অঙ্গনকে চর্চায় রাখা। মঙ্গলবার বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন, মুসলিম বিধায়কদের ‘চ্যাংদোলা’ করে ফেলা হবে। তাঁর এই মন্তব্যের জেরে বুধবার শুরু থেকেই ছিল উত্তাল বিধানসভা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার বিধানসভায় ছিলেন। বিরোধী দলনেতার ওই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন তিনি। বিজেপি যে ধর্মের তাস খেলছে তা নিয়ে সোচ্চার হন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের মতে, ধর্মীয় মেরুকরণের মধ্য দিয়ে বাংলায় রাজনৈতিক জমি শক্ত করার কৌশল নিয়েছে বিজেপি। আর তাই বিরোধী দলনেতা বিভিন্ন প্রসঙ্গেই মুসলিম প্রসঙ্গ টেনে আনছেন। বুধবার বিধানসভার বাইরেও অবস্থানে সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হাতিয়ার করেন ধর্মকেই। কোন হিন্দুর গায়ে হাত পড়লে পাল্টা ছাড়া হবে না এমন মন্তব্য করেন। এধরনের মন্তব্য আদতে উস্কানিমূলক বলেই অভিযোগ তৃণমূলের।
সম্প্রতি ট্রেনের এক ঘটনার ভিডিয়ো প্রকাশ করে বিরোধী দলনেতা বিতর্কের জন্ম দেন। এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় হয়। বুধবার বিধানসভায় বিজেপির এই রাজনীতিকে উদ্দেশ্যমূলক বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন এর ফল ভালো হবে না। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির এই রাজনীতিকে নোংরা রাজনীতি বলে কটাক্ষ করেন। যেন ধর্মযুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে বিধানসভায়। আর এই ধর্মকেই হাতিয়ার করে বিজেপি বাংলার মাটিতে জমি পাওয়ার চেষ্টা করছে।
অভিযোগ বিজেপি বিরোধী দল গুলির। মুখ্যমন্ত্রী বুধবার বলেন, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করবেন না। দেশের অখণ্ডতা বজায় রাখতে হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটা বাচ্চা কাচের বোতল ভেঙে দিলে তাকে বকো, আর কেউ যদি দেশটাকে ভেঙে দেয় তাহলে কি তুমি গর্ব করো? রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যখন আমরা কোনো চেয়ারে বসি we care for all। ধর্মীয় কাঠ খেলা বন্ধের আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী।





