Fake Guards: জাল নিরাপত্তারক্ষী! গয়নার দোকান থেকে উদ্ধার বন্দুক-বুলেট, গ্রেফতার ৩
Three fake security guards were arrested from a Kolkata jewelry store for possessing illegal firearms and fake licenses.
Truth Of Bengal: সোনা-রুপো, হিরে কিংবা অন্যান্য বহুমূল্য গ্রহরত্নের কেনাবেচা এবং প্রচুর টাকার লেনদেন হওয়ার কারণে নিরাপত্তার প্রয়োজন হবেই (Fake Guards)। আর সেই কারণে বন্দুকধারী রক্ষী রাখাটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কিন্তু সেই রক্ষীরই যদি আগ্নেয়াস্ত্রের বৈধ লাইসেন্স না থাকে? ঠিক সেরকমই ঘটনা সামনে এল। নামী জুয়েলারি সংস্থার তরফ থেকে অভিযোগ জানানো হয়েছিল পুলিশের কাছে।
তদন্তে উঠে এল, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা গানম্যানদের বন্দুকের লাইসেন্সই নেই। এভাবেই বছরের পর পর চলছে কাজ। জুয়েলারি সংস্থার কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েই তদন্ত শুরু করে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। জেলা থেকে তিনজন নিরাপত্তারক্ষীকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছেন এসটিএফের আধিকারিকরা। এসটিএফের অভিযোগ রয়েছে আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে। তাদের সন্ধান চলছে। তল্লাশি চালিয়ে ১৩টি লাইসেন্স, ১৪টি বন্দুক ও ৬৬ রাউন্ড বুলেট উদ্ধার করেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা (Fake Guards)।
পুলিশ সূত্রে খবর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুরের দীনেশ মাহালি, ঢোলাহাটের রাজু সর্দার এবং নদিয়ার চাকদহের বিশ্বজিৎ সরকারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যে জুয়েলারি সংস্থার তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, এই তিনজনই সেখানে একটি ইউনিটে কর্মরত। গয়না পাহারার মতো গুরুত্বপূর্ণ ডিউটিতে ছিলেন তাঁরা। সেই সূত্রেই তাঁদের লাইসেন্স ও অন্যান্য নথি কর্তৃপক্ষ চেয়ে নেয়। লাইসেন্স দেখে জুয়েলারি সংস্থার কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হয়। লালবাজারকে বিষয়টি জানানো হয়। তারই ভিত্তিতে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ তদন্ত শুরু করে। পুলিশ ওই লাইসেন্সগুলি পরীক্ষা করে বুঝতে পারে সেগুলি জাল। তিন গানম্যানকে জেরা করে গোয়েন্দারা নিশ্চিত হন যে, বৈধ লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও হাতে বন্দুক নিয়ে ডিউটি করছেন তাঁরা। সেই সূত্র ধরেই তাঁদের কাছ থেকে তিনটি ১২ বোরের বন্দুক ও ১৭টি ১২ বোরের বুলেট উদ্ধার করেন এসটিএফ আধিকারিকরা।
তদন্ত অবশ্য এখানেই শেষ হয়ে যায়নি। ওই জুয়েলারি সংস্থায় কর্মরত অন্য নিরাপত্তারক্ষীদেরও এসটিএফ জেরা করে। তাঁদের কাছ থেকে ১৩টি অস্ত্রের ভুয়ো লাইসেন্স উদ্ধার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে উদ্ধার হয়েছে ১১টি বন্দুক ও ৪৯টি বুলেট। ওই নিরাপত্তারক্ষীরা কোনও এজেন্সির মাধ্যমে ওই সংস্থায় ডিউটি করতে এসেছিলেন কিনা, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা (Fake Guards)।






