দেশ

বিশ্বের ধনীদের তালিকায় বাইজুর অবস্থান কত?

What is Baiju's position in the list of the world's richest people?

The Truth of Bengal :  ফোর্বস আন্তর্জাতিক এই সংস্থা সারা বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তিদের নিয়ে প্রতি বছর একটি তালিকা তৈরি করে। আর সেই তালিকায় কোনও কোনও বছর স্থান পায় নতুন নাম। আবার কোনও কোনও বছর বেরিয়ে যায় পুরনো নাম। ইতিমধ্যেই ২০২৪ সালের ধনীতম ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস। আর তাতেই বলা হয়েছে বাইজুর রবীন্দ্রনের অবস্থা। বাইজুর এই সহপ্রতিষ্ঠাতা সম্প্রতি ব্যাপক আর্থিক লোকসানের সম্মুখীন হয়। সংস্থার শেয়ার দর পড়ে যাওয়ার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা রয়েছে রবীন্দ্রনের ঘাড়ে। এই অবস্থায় ফোর্বসের তালিকা থেকেও নাম বাদ গেল তাঁর। এক বছর আগে বাইজু রবীন্দ্রনের মোট সম্পদ ছিল ২.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং তিনি অনেকগুলি সম্মানীয় ‘বিশ্বের সবচেয়ে ধনী’ তালিকায় স্থান পেয়েছেন। বর্তমানে প্রকাশিত ফোর্বস বিলিয়নেয়ার ইনডেক্স ২০২৪ অনুসারে, রবীন্দ্রনের মোট সম্পত্তির পরিমাণ শূন্যে নেমে এসেছে।
তালিকা থেকে বাইজু-র পতনের কথা উল্লেখ করে, ফোর্বস বলেছে, ‘গত বছরের তালিকা থেকে এই সময়ে মাত্র চারজন বাদ পড়েছেন, যার মধ্যে প্রাক্তন এডটেক তারকা বাইজু রবীন্দ্রনও রয়েছে, যার ফার্ম বাইজু একাধিক সংকটে পড়েছিল এবং ব্ল্যাকরক এর মূল্য ১ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। বাইজু ভারতের সবচেয়ে মূল্যবান স্টার্টআপে পরিণত হয়েছে। ২০২২ সালে এদের সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ২২ বিলিয়ন ডলার। রবীন্দ্রনের মস্তিষ্কপ্রসূত এই অ্যাপ শিক্ষাক্ষেত্রে এক বিশাল পরিবর্তন এনেছে, যা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে MBA শিক্ষার্থীদের সাহায্য করে। সাম্প্রতিক আর্থিক ঘটনা এবং ক্রমবর্ধমান বিতর্কগুলি কোম্পানির ভাগ্যকে ব্যাপক পরিমানে আঘাত করেছে।

কোম্পানির দুশ্চিন্তা তখন মাথা চাড়া দেয় যখন বাইজু মার্চ ২০২২-এ শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য দীর্ঘ-বিলম্বিত ফলাফল প্রকাশ করে। এখানে দেখা যায় যে সংস্থার ক্ষতি হয়েছে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। হতাশাজনক আর্থিক পারফরম্যান্সের ফলে প্রধান বিনিয়োগকারী ব্ল্যাকরক তার বাইজু-এর মূল্যায়ন মাত্র ১ বিলিয়ন ডলারে কমিয়ে দেয়, যা তাদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থেকে একটি বড় পতন। বাইজু রবীন্দ্রন কোম্পানির খারাপ ভাগ্যের জন্য তীব্র সমালোচনার সম্মুখীনও হয়েছেন। প্রোসাস এনভি এবং পিক এক্সভি পার্টনারস সহ কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা গত মাসে রবীন্দ্রনকে সিইও পদ থেকে অপসারণ করার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। একসময়ের হাই ফ্লায়িং এডটেক স্টার্টআপের ভাগ্য নিয়ে লড়াই বাড়িয়েছে ।
বাইজুর বিদেশী বিনিয়োগও ইডি-র নজরে এসেছে। এর প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে লুকআউট সার্কুলার জারি করেছে ইডি, বাইজু-এর মূল সংস্থা থিঙ্ক অ্যান্ড লার্নকে ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টের অধীনে ৯৩৬২ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের ভায়োলেশনের অভিযোগে কারণ জানানোর নোটিশ জারি করেছিল।

ফোর্বসের তালিকায় তাঁর নাম ছিল গত বছরেও। ২.১ বিলিয়ন ডলার সম্পত্তির অধিকারী ছিলেন এই বাইজুর রবীন্দ্রন। কিন্তু বর্তমানে তার সেই পরিমান সম্পত্তি নেই তার। সম্পত্তি কমতে কমতে তা তলানিতে ঠেকেছে। তবে শূন্য মানেই যে তাঁর আর সম্পত্তি নেই, ঠিক সেরকমটা নয়। ফোর্বসের তালিকা মূলত বিলিনয়ারদের নিয়েই তৈরি হয় । ফলে তালিকায় নাম থাকতে হলে বিলিয়ন ডলার সম্পত্তির মালিক হওয়া চাই। বর্তমানে বিলিয়নের ঘর থেকে নেমে এসেছেন। বাইজু রবীন্দ্রনের সংস্থা বাইজুর নামে একাধিক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছিল গত বছর থেকেই। হিসেবের গন্ডগোল থেকে বেশ কয়েকটি অভিযোগ সংস্থার নামে আসতে থাকে। দিকে সংস্থার ঋণের বোঝাও বাড়তে থাকে। ফলত বলাই যায় যে এই একই অবস্থা যে বাইজু কর্তা রবীন্দ্রনেরও।

ফোর্বস আন্তর্জাতিক এই সংস্থা সারা বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তিদের নিয়ে প্রতি বছর একটি তালিকা তৈরি করে। আর সেই তালিকায় কোনও কোনও বছর স্থান পায় নতুন নাম। আবার কোনও কোনও বছর বেরিয়ে যায় পুরনো নাম। ইতিমধ্যেই ২০২৪ সালের ধনীতম ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস। আর তাতেই বলা হয়েছে বাইজুর রবীন্দ্রনের অবস্থা। বাইজুর এই সহপ্রতিষ্ঠাতা সম্প্রতি ব্যাপক আর্থিক লোকসানের সম্মুখীন হয়। সংস্থার শেয়ার দর পড়ে যাওয়ার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা রয়েছে রবীন্দ্রনের ঘাড়ে। এই অবস্থায় ফোর্বসের তালিকা থেকেও নাম বাদ গেল তাঁর। এক বছর আগে বাইজু রবীন্দ্রনের মোট সম্পদ ছিল ২.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং তিনি অনেকগুলি সম্মানীয় ‘বিশ্বের সবচেয়ে ধনী’ তালিকায় স্থান পেয়েছেন। বর্তমানে প্রকাশিত ফোর্বস বিলিয়নেয়ার ইনডেক্স ২০২৪ অনুসারে, রবীন্দ্রনের মোট সম্পত্তির পরিমাণ শূন্যে নেমে এসেছে।
তালিকা থেকে বাইজু-র পতনের কথা উল্লেখ করে, ফোর্বস বলেছে, ‘গত বছরের তালিকা থেকে এই সময়ে মাত্র চারজন বাদ পড়েছেন, যার মধ্যে প্রাক্তন এডটেক তারকা বাইজু রবীন্দ্রনও রয়েছে, যার ফার্ম বাইজু একাধিক সংকটে পড়েছিল এবং ব্ল্যাকরক এর মূল্য ১ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

বাইজু ভারতের সবচেয়ে মূল্যবান স্টার্টআপে পরিণত হয়েছে। ২০২২ সালে এদের সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ২২ বিলিয়ন ডলার। রবীন্দ্রনের মস্তিষ্কপ্রসূত এই অ্যাপ শিক্ষাক্ষেত্রে এক বিশাল পরিবর্তন এনেছে, যা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে MBA শিক্ষার্থীদের সাহায্য করে। সাম্প্রতিক আর্থিক ঘটনা এবং ক্রমবর্ধমান বিতর্কগুলি কোম্পানির ভাগ্যকে ব্যাপক পরিমানে আঘাত করেছে।

কোম্পানির দুশ্চিন্তা তখন মাথা চাড়া দেয় যখন বাইজু মার্চ ২০২২-এ শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য দীর্ঘ-বিলম্বিত ফলাফল প্রকাশ করে। এখানে দেখা যায় যে সংস্থার ক্ষতি হয়েছে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। হতাশাজনক আর্থিক পারফরম্যান্সের ফলে প্রধান বিনিয়োগকারী ব্ল্যাকরক তার বাইজু-এর মূল্যায়ন মাত্র ১ বিলিয়ন ডলারে কমিয়ে দেয়, যা তাদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন থেকে একটি বড় পতন। বাইজু রবীন্দ্রন কোম্পানির খারাপ ভাগ্যের জন্য তীব্র সমালোচনার সম্মুখীনও হয়েছেন। প্রোসাস এনভি এবং পিক এক্সভি পার্টনারস সহ কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা গত মাসে রবীন্দ্রনকে সিইও পদ থেকে অপসারণ করার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। একসময়ের হাই ফ্লায়িং এডটেক স্টার্টআপের ভাগ্য নিয়ে লড়াই বাড়িয়েছে ।
বাইজুর বিদেশী বিনিয়োগও ইডি-র নজরে এসেছে। এর প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে লুকআউট সার্কুলার জারি করেছে ইডি, বাইজু-এর মূল সংস্থা থিঙ্ক অ্যান্ড লার্নকে ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টের অধীনে ৯৩৬২ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের ভায়োলেশনের অভিযোগে কারণ জানানোর নোটিশ জারি করেছিল।

ফোর্বসের তালিকায় তাঁর নাম ছিল গত বছরেও। ২.১ বিলিয়ন ডলার সম্পত্তির অধিকারী ছিলেন এই বাইজুর রবীন্দ্রন। কিন্তু বর্তমানে তার সেই পরিমান সম্পত্তি নেই তার। সম্পত্তি কমতে কমতে তা তলানিতে ঠেকেছে। তবে শূন্য মানেই যে তাঁর আর সম্পত্তি নেই, ঠিক সেরকমটা নয়। ফোর্বসের তালিকা মূলত বিলিনয়ারদের নিয়েই তৈরি হয় । ফলে তালিকায় নাম থাকতে হলে বিলিয়ন ডলার সম্পত্তির মালিক হওয়া চাই। বর্তমানে বিলিয়নের ঘর থেকে নেমে এসেছেন। বাইজু রবীন্দ্রনের সংস্থা বাইজুর নামে একাধিক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছিল গত বছর থেকেই। হিসেবের গন্ডগোল থেকে বেশ কয়েকটি অভিযোগ সংস্থার নামে আসতে থাকে। দিকে সংস্থার ঋণের বোঝাও বাড়তে থাকে। ফলত বলাই যায় যে এই একই অবস্থা যে বাইজু কর্তা রবীন্দ্রনেরও।

Related Articles