দেশ

Sonia Gandhi: সোনিয়ার বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব বিতর্ক, বিজেপি নেতার অভিযোগ খারিজ করে দিল দিল্লি হাইকোর্ট

অমিত মালব্যয়ের তাঁর সামাজিক মাধ্যম এক্সে পোস্ট করে অভিযোগ করেন, ভারতের নাগরিক হওয়ার আগেই সোনিয়ার নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।

Truth of Bengal: ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই দেশের ভোটার তালিকায় নাম উঠেছিল কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধি। এমন অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছিল। বিজেপির আইটি সেলের সর্বভারতীয় প্রধান অমিত মালব্য আগস্ট মাসে এই অভিযোগ প্রথম প্রকাশ্যে আনেন। তাঁর দাবি, ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলে সোনিয়া  গান্ধি ১৯৮০ সালে ভোটার তালিকায় নাম তুলেছিলেন, অথচ তিনি ভারতীয় নাগরিক হন ১৯৮৩ সালে। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে দায়ের হয় মামলা। তবে আদালত এই অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া ফৌজদারি মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে (Sonia Gandhi)।

আরও পড়ুনঃ Bangladesh Election: নির্বাচনে প্রস্তুত বাংলাদেশ, নিরাপত্তায় থাকছে ৮ লাখের বেশি বাহিনী

অমিত মালব্যয়ের তাঁর সামাজিক মাধ্যম এক্সে পোস্ট করে অভিযোগ করেন, ভারতের নাগরিক হওয়ার আগেই সোনিয়ার নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। প্রামাণ্য নথি হিসেবে তিনি ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকার একটি ছবি প্রকাশ করেন, যেখানে নাকি সোনিয়ার নাম দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তাঁর দাবি, সে সময় সোনিয়া ভারতীয় নাগরিকত্ব পাননি। অথচ, নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, ১৯৮০ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে নয়াদিল্লির ভোটার তালিকায় নাম ওঠে এবং ১৯৮২ সাল পর্যন্ত তা বহাল ছিল (Sonia Gandhi)।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1GbdnH1jqc/

অমিত আরও বলেন, ১৯৪৬ সালে ইটালিতে জন্মগ্রহণ করেন সোনিয়া মাইনো। ১৯৬৮ সালে রাজীব গান্ধির সঙ্গে বিবাহের পর তিনি ভারতের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন এবং ১৯৮৩ সালে নাগরিকত্ব লাভ করেন। তবুও তার আগেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া গুরুতর নির্বাচনী অনিয়মের দৃষ্টান্ত বলে বিজেপির দাবি।এই অভিযোগকে ভিত্তি করে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে সোনিয়ার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়। আবেদনকারী দাবি করেন, ১৯৮৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত নাগরিকত্ব না থাকা সত্ত্বেও ১৯৮০ সালের ১ জানুয়ারি সোনিয়ার নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে বৃহস্পতিবার আদালত মামলার আবেদন খারিজ করে দেয়। আদালতের মতে, অভিযোগের পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই এবং অভিযোগটি ভিত্তিহীন।এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চললেও আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর আপাতত এই অধ্যায় আপাতত শেষ হল। সেইসঙ্গে বড় ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি।

Related Articles