Big Breaking : গুজরাটের অগ্নিকাণ্ডে ৩২ জনের মৃত্যু, শোক প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী
32 people died in fire in Gujarat

The Truth of Bengal : গুজরাটের রাজকোটে গেমিং জোনে শনিবার সন্ধ্যায় আচমকা আগুন লেগে যায়।আগুন ভয়াবহ আকার নেওয়ায় বিপদ হয়। দ্রুত আগুন পুরো এলাকা গ্রাস করলে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যায়। প্রাথমিকভাবে ২০জনের মৃত্যু হলেও পরে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৩২জন।মৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই নাবালকও শিশু বলে জানা গেছে। অন্তত ৯জন শিশু রয়েছে বলে গুজরাট প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। এই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোকপ্রকাশ করেছেন।সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন,“গুজরাটের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আমি বিস্মিত ও মর্মাহত। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল।”
Shocked to know about the devastating fire at Rajkot, Gujarat, resulting in tragic loss of several lives. The fire at the game zone has reportedly trapped many others which is also unnerving.
My heart goes out to the families of the victims of this terrible tragedy. My sincere…— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) May 25, 2024
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল,এই ঘটনার ওপর তিনি নজর রাখছেন বলে জানান। একইসঙ্গে রাজ্য সরকারের নির্দেশে গড়া হয়েছে সিট বা স্পেশাল ইনভেস্টিগেটিভ টিম।বিভিন্ন মহলের চাপে বিজেপি সরকার এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী অগ্নিদগ্ধদের দেখতে হাসপাতালে যান।শনিবার সন্ধ্যাতেই এলাকায় পৌঁছায় দমকলবাহিনী। খবর পেয়ে যায় পুলিশও। প্রশাসনের কর্তারা জানিন, গেমিং জোনের ভিতরে অনেকেই আটকে ছিল।তাঁদের উদ্ধার করার প্রয়াস নেওয়া হয়। এই ধরনের গেমিং জোন ঘেরাটোপের মধ্যে থাকে। কার রেসিং থেকে শুরু করে নানা ধরনের ইনডোর এবং আউটডোর গেমের ব্যবস্থাও থাকে সেখানে। খেলার অঙ্গ হিসেবে মজুত রাখা হয় টায়ার, প্লাস্টিকের মতো অতিদাহ্য পদার্থ। তাই এই সব দ্রাহ্য পদার্থ থাকায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। শনিবার আগুন লাগার সময় গেমিং জোনের ভিতরে অনেকেই ছিলেন বলে পুলিশের অনুমান। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় তাঁরা অনেকেই বাইরে আসতে পারেননি। মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল জানিয়েছেন,রাজকোট পুরপ্রশাসনকে এই ঘটনায় তত্পরতার সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাঁরা আহত হয়েছে তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।রাতেও আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসায় টিআরপি গেমিং জোনে যুদ্ধকালীন তত্পরতায় উদ্ধারকাজ চালায় । আশা করা হচ্ছে আহতদের চিকিত্সার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলা হবে।নির্বাচনের মাঝে এই ধরণের ঘটনায় বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছে,বিজেপি সরকারের নজরদারির অভাবেই ব্যাঙের ছাতার মতো এই গেমিং জোন গড়ে উঠছে।যারজন্য সাধারণ মানুষকে তার মূল্য দিতে হচ্ছে।






