python CPR rescue: গুজরাটে বিরল ঘটনা, গুরুতর আহত অজগরকে সিপিআর দিয়ে বাঁচালেন পশুপ্রেমী
সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, মারাত্মকভাবে আহত ওই অজগরটিকে সিপিআর (CPR) দিয়ে নতুন জীবন ফিরিয়ে দিয়েছেন ওই পশুপ্রেমী।
Truth of Bengal: গুজরাটের নর্মদা জেলায় সম্প্রতি বন দফতর এবং দিদিয়াপাড়ার ‘জীবদয়া প্রেমী’ নামক একটি প্রাণী কল্যাণ সংগঠনের কর্মীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি বিরল প্রজাতির অজগর উদ্ধার হলো। সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, মারাত্মকভাবে আহত ওই অজগরটিকে সিপিআর (CPR) দিয়ে নতুন জীবন ফিরিয়ে দিয়েছেন ওই পশুপ্রেমী।
মঙ্গলবার নর্মদা জেলার একটি গ্রাম থেকে অজগরটি উদ্ধার করা হয়। বন দফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অজগরটির মাথায় আঘাত লাগায় এটি অচেতন হয়ে পড়েছিল। পশু কল্যাণ কর্মী ভাবিনভাই ভাসাভা অজগরটির জীবন বাঁচাতে সিপিআর প্রয়োগ করেন। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ভাসাভা একটি ছোট, ফাঁপা রড সাপের মুখে ঢুকিয়ে তার মাধ্যমে অজগরটিকে সিপিআর দিচ্ছেন। এরপর বন দফতরের দল এবং পশু কল্যাণ কর্মীর প্রচেষ্টায় অজগরটিকে নিরাপদে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়। চলতি মাসে গুজরাটে এটি দ্বিতীয় এমন ঘটনা। এর আগে, ভালসাদে এক বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী বিদ্যুত্স্পৃষ্ট একটি সাপকে মুখ-থেকে-মুখে সিপিআর দিয়ে সফলভাবে সুস্থ করে তুলেছিলেন। সম্ভবত শিকারের সন্ধানে সাপটি একটি তিন-ফেজ বিদ্যুৎ লাইনে উঠে গিয়েছিল এবং বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে প্রায় ১৫ ফুট উপর থেকে মাটিতে পড়ে অচেতন হয়ে পড়ে।
गुजरात में डेडियापाड़ा के कोलीवाला गांव के खेत में अजगर को CPR देकर बचाया#Gujarat pic.twitter.com/omQpJlrxrs
— NDTV India (@ndtvindia) December 10, 2025
সাপ উদ্ধারে এক দশকের অভিজ্ঞতা এবং স্থানীয় একটি সাপ গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুকেশ ভায়াড স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি দেখেন সাপটি গতিহীন এবং কোনো সাড়া দিচ্ছে না। তিনি টানা প্রায় ৩০ মিনিট ধরে সাপটিকে মুখ-থেকে-মুখে শ্বাস-প্রশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি তার হার্ট এরিয়াতে চাপ দেন। প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টার পর সাপটির শ্বাস-প্রশ্বাস ও নড়াচড়ার লক্ষণ দেখা যায়। সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর এটিকে নিকটস্থ বন এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
সিপিআর বা কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন হলো একটি জরুরি পদ্ধতি, যা সাধারণত কারও হৃদস্পন্দন বা শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেলে প্রয়োগ করা হয়। সঠিক সময়ে সিপিআর দিলে রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা দ্বিগুণ বা কখনও কখনও তিনগুণ বেড়ে যায়। কেউ যখন হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যান, কোনো সাড়া দেন না, শ্বাস নিচ্ছেন না এবং নাড়িও পাওয়া যায় না— তখন এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। সিপিআর হার্ট বা ফুসফুসের কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনতে এবং রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।






