Odisha: যৌন হেনস্তার প্রতিবাদে স্তব্ধ ওড়িশা, ছাত্রী আত্মহত্যায় উত্তাল রাজ্যজুড়ে ১২ ঘণ্টার বন্ধ
রাজ্যের আটটি বিরোধী দল, যার মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস, সিপিএম-সহ বামদলগুলি, তাদের ডাকা ১২ ঘণ্টার বন্ধে কার্যত স্তব্ধ হয়ে যায় স্বাভাবিক জনজীবন।
Truth of Bengal: যৌন হেনস্তার অভিযোগে বিচার চেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়া এক ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে রীতিমতো অচল হয়ে পড়ল বিজেপি শাসিত ওড়িশা। রাজ্যের আটটি বিরোধী দল, যার মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস, সিপিএম-সহ বামদলগুলি, তাদের ডাকা ১২ ঘণ্টার বন্ধে কার্যত স্তব্ধ হয়ে যায় স্বাভাবিক জনজীবন। সকাল থেকেই বন্ধ ছিল দোকানপাট, জনশূন্য ছিল রাস্তাঘাট। বাস বা অন্য কোনও যানবাহনও চলাচল করেনি। রাজ্যজুড়ে অশান্তি এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও এলাকাগুলিতে মোতায়েন করা হয়েছিল অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী (Odisha)।
আরও পড়ুনঃ Ajanta Shoes: হাওয়াই চপ্পল দিয়ে যাত্রা শুরু, আজ দেশের অগ্রগণ্য পাদুকাশিল্প অজন্তা
এই ঘটনার মূল কেন্দ্রে রয়েছেন এক ছাত্রী, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনে একাধিকবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, পুলিশ এবং শিক্ষামন্ত্রীর কাছে বিচার দাবি করেন। কিন্তু অভিযোগ, তাঁর কথায় কেউ কর্ণপাত করেনি। শেষপর্যন্ত, সেই ছাত্রী ক্যাম্পাসেই আত্মঘাতী হন—নিজের গায়ে আগুন লাগিয়ে। পরে হাসপাতালে ভর্তি করানো হলেও শেষরক্ষা হয়নি। মৃত্যু হয় তাঁর (Odisha)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/193NB43TzC/
ঘটনার তীব্র নিন্দা করে ওড়িশা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভক্ত চরণ দাস বলেন, “এই বন্ধ ডাকার মূল উদ্দেশ্য, মহিলাদের পাশে দাঁড়ানো এবং যৌন হেনস্তার মতো নৃশংস অপরাধের বিরুদ্ধে সরব হওয়া। এখনই প্রতিবাদ না করলে ভবিষ্যতে প্রতিটি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপদ ঘনাবে।” সিপিএম নেতা সুরেশ পানিগ্রাহী বলেন, “ছাত্রীটি প্রশাসনের সমস্ত স্তরের কাছে বিচার চেয়েছিলেন। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। তাই আমরা বিচারবিভাগীয় তদন্ত, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং স্থানীয় বিধায়কের ভূমিকা নিয়ে পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছি।” প্রসঙ্গত, অভিযুক্ত অধ্যাপককে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবু পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়। ছাত্রীর মৃত্যুর পরে ক্ষোভে ফুঁসছে রাজ্যের সাধারণ মানুষ ও পড়ুয়া সমাজ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে নেমেছে রাজনৈতিক চাপানউতোর (Odisha)।






