‘মোদি মাল্টিপ্লেক্স’, প্রধানমন্ত্রীকে তোপ বর্ষীয়ান কংগ্রেসনেতা জয়রাম রমেশের
একাধিকবার উগ্রবাদী, সন্ত্রাসবাদীসহ একাধিক অসাংবিধানিক শব্দ প্রয়োগ করেন বিধুরি।

The Truth of Bengal: সংসদে বিজেপি সাংসদ রমেশ বিধুরির বিতর্কিত মন্তব্যের পর, পাল্টা তোপ দাগলেন, কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ। তিনি বলেছেন, এটা বিজেপির মনোভাবকেই প্রকাশ করেছেন বিধুরি। আর এই পর্বকে ‘মোদি মাল্টিপ্লেক্স’ বা ‘মোদি ম্যারিয়ট’ হিসাবে তকমা দিয়েছেন। এক্স- প্লাটফর্মে প্রধানমন্ত্রীকে একহাত নিয়ে কংগ্রেস নেতা বলেছেন, সংসদের দুইকক্ষের ভিতরে এবং করিডোরে ‘গন্ডগোল’ এবং ‘কথোপকথনের’ মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ গণ্ডগোল এমন একটা জায়গায় নিয়ে গিয়েছে যা সীমাহীন এবং নতুন সংসদে যে ভাষার আমদানি করা হচ্ছে, তা হতাশাজনক। জয়রামের মত, স্থাপত্য যদি গণতন্ত্রকে হত্যা করতে পারে, তাহলে প্রধানমন্ত্রী সংবিধান পুনর্লিখন না করেও সফল হয়েছেন।
প্রসঙ্গত শুক্রবরাই সংসদে বিজেপি সাংসদ রমেশ বিধুরি বক্তব্য রাখার সময়ই হই হট্টগোল করতে থাকেন বহুজন সমাজ পার্টির সাংসদ ড্যানিশ আলি। সেই সময়ই একাধিকবার উগ্রবাদী, সন্ত্রাসবাদীসহ একাধিক অসাংবিধানিক শব্দ প্রয়োগ করেন বিধুরি। কিন্তু বিষয়টিতে আমল দেননি, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কোডিকুন্নিল সুরেশ। ড্যানিশের উপর এমন ভাষা সন্ত্রাসের পরেই ক্ষোভ উগরে দেন জয়রাম রমেশ। তিনি জানান, ঘটনার পরেই, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ক্ষমা চাইলেও তা পর্যাপ্ত নয়।
এদিনের এই ঘটনার পরেই বিজেপির সাংসদ রমেশ বিধুরির বিরুদ্ধে প্রিভিলেজ মোশন আনার দাবি করেছে বিরোধীরা। অধীররঞ্জন চৌধুরী, কানিমোঝি, সুপ্রিয়া সুলে, অপরূপা পোদ্দার যৌথভাবে স্পিকার ওম বিরলার কাছে লিখিত ভাবে জানান, অবিলম্বে রমেশ বিধুরিকে সাসপেন্ড করতে হবে।






