চার মাসের মাথায় ফের ইন্টারনেট চালু হচ্ছে মণিপুরে, পরিস্থিতি বদলেছে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর
কুকি সম্প্রদায়ের দুই মহিলাকে উলঙ্গ করে ঘোরানো ও ধর্ষণ করার ঘটনা বিপাকে ফেলে রাজ্য ও কেন্দ্রে শাসক দলকে

The Truth of Bengal: দীর্ঘ চারমাসের মাথায়, ধীরে ধীরে পরিস্থিতি শান্ত হচ্ছে মণিপুরে। আগের থেকে অনেকটাই পরিস্থিতি বদলেছে। তাই ফের চালু করা হচ্ছে ইন্টারনেট পরিষেবা। এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং।
চলতি বছরের মে মাসে সংরক্ষণ ইস্যুতে মণিপুরে বিবাদ তৈরি হয়ে কুকি ও মেইতেইদের মধ্যে। সেই বিবাদ ক্রমে হিংসায় রূপ নেয়। দুপক্ষের গণ্ডগোলে, রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা কার্যত লাটে ওঠে। পরিস্থিতি এতোটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে, যে দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক শিরোনামে উঠে আসে মণিপুর। নানা গুজব ছড়াতে থাকে, এমনকী মায়ানমারের কিছু ভিডিও পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতে ব্যবহার করা হয় বলে দাবি করে পুলিশ।
যদিও কুকি সম্প্রদায়ের দুই মহিলাকে উলঙ্গ করে ঘোরানো ও ধর্ষণ করার ঘটনা বিপাকে ফেলে রাজ্য ও কেন্দ্রে শাসক দলকে। তারপর থেকে গোটা রাজ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট পরিষেবা। তার আগে, বেশ কয়েকটি উপদ্রুত এলাকায় পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছিল।
প্রশাসনিক সূত্রের খবর, মণিপুরে ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হলেও, অবাধ যানচলাচলের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এতোদিন ভারত-মায়ানমার সীমান্তের উভয় দিকের বসবাসকারী লোকজনকে কোনও নথি ছাড়াই একে অপরের ভূখণ্ডে ১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রবেশ করার অনুমতি ছিল। তা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
সাংবাদিক বৈঠকে এন বীরেন সিং বলেছেন, “ভুয়া খবর, অপপ্রচার এবং বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্যের প্রচার ঠেকাতে সরকার ৩ মে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করেছিল৷ তবে পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবাগুলি চালু করা হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, সরকার “অবৈধ অভিবাসীদের” এদেশে আসার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ চালিয়ে যাবে এবং ভারত-মায়ানমার সীমান্তে সম্পূর্ণ কাঁটাতার দিয়ে ঘেরার ক্ষেত্রে জোর দিচ্ছে।



