দেশ

EC Protest: নির্বাচন কমিশন ঘেরাও: অসুস্থ মহুয়া-মিতালী, শাড়ি ছেঁড়ার অভিযোগ সাগরিকার

নির্বাচন কমিশনের এসআইআর নিয়ে প্রথম থেকেই সুর চড়িয়েছিলেন বিরোধীরা।

Truth Of Bengal: এসআইআর ইস্যুতে এমনিই তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি, তার উপর রাহুল গান্ধীর ভোট চুরির অভিযোগ (EC Protest)। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একাধিক অভিযোগ তোলা হয়েছে বিরোধী মঞ্চ ইন্ডিয়া ব্লকের তরফ থেকে। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১১ আগস্ট নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করতে যায় তারা। তাতে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলের সাংসদরাও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়। অসুস্থ হয়ে পড়লেন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ মহুয়া মৈত্র ও মিতালী বাগ। এখানেই শেষ নয়, ঘাসফুল শিবিরের অন্যতম প্রভাবশালী সাংসদ সাগরিকা ঘোষ শাড়ি ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলেন।

[আরও পড়ুন: Asim Munir: আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে ভারতকে পরমাণু হামলার হুমকি দিলেন পাক সেনাপ্রধান]

নির্বাচন কমিশনের এসআইআর নিয়ে প্রথম থেকেই সুর চড়িয়েছিলেন বিরোধীরা (EC Protest)। তার উপর ভোটমুখী বিহারে ভোটার তালিকা থেকে অজস্র ভোটারের নাম বাদ যাওয়া পরিস্থিতি আর উগ্র করে তোলে। শেষ পর্যন্ত ইন্ডিয়া জোটের তরফ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে এটি প্রত্যাহার করার জন্য নির্বাচন কমিশনের অফিস ঘেরাও করা হবে। তার আগে রাহুল গান্ধী নিজের বাসভবনে নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানান বিজেপি বিরোধী সাংসদদের এবং এই বিষয়ে আলোচনা করেন।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১১ আগস্ট ইন্ডিয়া জোট তৈরি হয় কমিশন ঘেরাওয়ের জন্য। সংসদের মকরদ্বার থেকে পায়ে হেঁটে সকল সাংসদ রওনা দেন নির্বাচন কমিশনের অফিসের উদ্দেশ্যে। কিন্তু তার আগেই, তাঁদের আটকাতে, ব্যারিকেড বসিয়ে দেয় দিল্লি পুলিশ। এরপর রাস্তায় বসে স্লোগান তুলতে শুরু করেন বিক্ষোভকারী সাংসদরা। পরে তাদের একেক করে পুলিশ-বাসে তোলে দিল্লি পুলিশ।

[আরও পড়ুন: অনূর্ধ্ব-২০ ভারতীয় দলকে আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা এআইএফএফ-র]

এর জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন মহুয়া মৈত্র ও মিতালী বাগ। পুলিশ বাসে অজ্ঞান হয়ে যান মহুয়া মৈত্র (EC Protest)। অন্যদিকে মিতালী বাগও অসুস্থ বোধ করছেন। জানা গিয়েছে, রাহুল গান্ধী ও অন্যান্য সাংসদরা শুশ্রূষা করেন মহুয়া মৈত্রকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলা হয়েছে সাগরিকা ঘোষের তরফ থেকে। তিনি বলেন, “শাড়ি ধরে টানা হয়েছে মহিলা সাংসদদের। টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আমাদের। শাড়ি ছিঁড়ে দিয়েছে আমার।” এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত এই আন্দোলনের ফল কি হয়। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ছেড়ে দেওয়া হয়েছে আটক সাংসদদের।

Related Articles