
The Truth of Bengal: বিধানসভা ভোটের ফলাফলের পরেই সংসদে বসছে শীতকালীন অধিবেশন। ৪ ঠা ডিসেম্বর থেকে ২২ শে ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১৯ দিনে ১৫ টি অধিবেশন বসবে। অধিবেশনের আগে ২ডিসেম্বর সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে।এই অধিবেশনেই যেমন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের ভাগ্য নির্ধারণ হবে, তেমনই জম্মু ও কাশ্মীর নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে। এছাড়া পেশ হতে পারে ন্যায় সংহিতা বিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ ১৮টি বিল। সবমিলিয়ে, বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে এবারের শীতকালীন অধিবেশন ১৫টি অধিবেশনে ১৮টি বিল পেশ করা হতে পারে।
যার মধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কাশ্মীর বিধানসভার পুনর্গঠন বিল, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত বিল ও দণ্ডসংহিতা বিল রয়েছে। ন্যায় সংহিতা বিলের মাধ্যমে ভারতীয় দণ্ডবিধি, ফৌজদারি দণ্ডবিধি এবং এভিডেন্স আইনের বদলে তিন নতুন বিধি লাগু করতে চায় সরকার। গত বাদল অধিবেশনেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দণ্ডসংহিতা নিয়ে লোকসভায় তিনটি বিল পেশ করেন। তিনি জানিয়েছিলেন, ১৮৬০ সালে তৈরি ‘ইন্ডিয়ান পেনাল কোড’ প্রতিস্থাপিত হবে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ দিয়ে।
১৮৯৮ সালের ‘ক্রিমিনাল প্রসিডিওর অ্যাক্ট’ প্রতিস্থাপিত হবে ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’ দিয়ে এবং ১৮৭৩ সালের‘ইন্ডিয়ান এভিডেন্স অ্যাক্ট’ প্রতিস্থাপিত হবে ‘ভারতীয় সাক্ষ্য বিল’-এ। এই বিল তিনটি সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির কাছেও পাঠানো হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদেরও এই আইন বদলের বিষয়টি চিঠি দিয়ে জানানো হয়। যদিও এর বিরুদ্ধে মতপ্রকাশ করে বিজেপি-বিরোধী কয়েকটি রাজ্য। এবার শীতকালীন কেন্দ্র এই বিলগুলি পাশ করানোর চেষ্টা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।






