
The Truth Of Bengal: লোকসভায় কংগ্রেস চায় ৫৪৩টি আসনের মধ্যে ২৯০আসনে লড়তে।বাকি ২৫৩টি আসন তাঁরা শরিকদের ছেড়ে দিতে ইচ্ছুক। প্রশ্ন উঠছে, কংগ্রেসের এই প্রস্তাব কী ইন্ডিয়া জোটের সদস্যরা মেনে নেবে ? নাকি, শরিকী জটে বিলম্বিত হবে এই সমঝোতা প্রক্রিয়া,এই নিয়েই বিশ্লেষণ করা হচ্ছে নানা মহলে। এদিকে,রাহুল গান্ধীর ন্যায়যাত্রার মাধ্যমে বিজেপি বিরোধী হাওয়া তুলতে তৈরি হচ্ছে কংগ্রেস।
ভোট রাজনীতিতে কার পাল্লা ভারী,কে কার জমি কতটা কাড়তে পারে,তাই নিয়ে এখন অঙ্ক কষা চলছে।৫রাজ্যের ভোটের শতাংশে এগিয়ে বিরোধীরা।কারণ বিজেপি যেখানে পেয়েছে ৪১শতাংশ ভোট,সেখানে কংগ্রেস পেয়েছে ৩৮শতাংশ ভোট।বাকি ভোট রয়েছে ইন্ডিয়া জোটের শরিকদের কাছে।তাই অবিজেপি দলগুলোর মিলিত ভোট চব্বিশে বিজেপিকে বেগ দিতে পারে বলে মনে করছে তৃণমূল কংগ্রেস সহ বিরোধীরা।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর মধ্যে একের বিরুদ্ধে এক ফর্মূলা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও প্রস্তাব দেন,যে রাজ্যে যে দল শক্তিশালী সেই দলকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে,সবমিলেই সমঝোতার সূত্র বের করতে হবে। এই অবস্থায় কংগ্রেস প্রাথমিকভাবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে
- ৫৪৩টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস লড়বে ২৯০আসনে
- বাকি ২৫৩টি আসন জোটের শরিকদের ছাড়তে চায়
- কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে ৩থেকে ৫টি আসনে লড়তে ইচ্ছুক
- তৃণমূল-বামেদের সমর্থনে লড়াইয়ের স্ট্রাটেজি গ্রহণ
দিল্লিতে আম আদমি পার্টির সমর্থন নিয়ে ৫টি, পঞ্জাবে ৮-৯টি আসনেও কংগ্রেস লড়তে তৈরি। অরবিন্দ কেজরীওয়াল এতগুলি আসন ছাড়তে রাজি হবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এর সঙ্গে তামিলনাড়ুতে ডিএমকে-র সমর্থন নিয়ে ৯-১১টি, উত্তরপ্রদেশে ১০-১৫টি, বিহারে ৯-১০টি, মহারাষ্ট্রে ২৪-২৬টি, ঝাড়খণ্ডে ৯টি, জম্মু-কাশ্মীরে ৩টি আসনে কংগ্রেস আসন সমঝোতা করে শরিক দলের সমর্থনে লড়তে চাইছে। এই আসনগুলিতে ইন্ডিয়া-র শরিক দল তৃণমূল ও বামেদের সমর্থন পেলে কংগ্রেস জিততে পারে বলে শতাব্দী প্রাচীন দলের নেতাদের অভিমত। এখন সবটাই নির্ভর করছে শরিক দলগুলি কোথায় কতগুলি আসন কংগ্রেসকে ছাড়তে রাজি হবে।তবে কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনের দখল নিজেদের দখলে রাখতে জনসংযোগে জোর দিচ্ছে।
১৪ জানুয়ারি থেকে রাহুল গান্ধীর ‘ভারত ন্যায় যাত্রা’ শুরু হচ্ছে। তার আগেই আসন সমঝোতা সেরে ফেলার কাজে নজর দিতে চায় তাঁরা।এই অবস্থায় অবিজেপি দলগুলো কংগ্রেসের প্রস্তাব মেনে নেবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।রাজ্যে রাজ্যে জোটের শরিকদের সংঘবদ্ধ করা সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ।চব্বিশের আগে তাই রফা চূড়ান্ত করে যৌথ প্রচার আর কর্মসূচি ঠিক করাই পাখির চোখ বিরোধী শিবিরের কাছে।সেই চ্যালেঞ্জ তাঁরা কিভাবে মোকাবিলা করে তাও বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে জাতীয় রাজনীতিতে।
Free Access






