দেশ

Budget 2026: ১০ হাজার কোটির ‘বায়োফার্মা শক্তি’ প্রকল্প, সস্তা হবে ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের ওষুধ

এর মূল উদ্দেশ্য হল দেশের ভেতরেই উন্নত মানের ‘বায়োলজিক্স’ এবং ‘বায়োসিমিলার’ ওষুধ উৎপাদন করা।

Truth Of Bengal: দেশের ক্রমবর্ধমান জটিল ও অসংক্রামক ব্যাধি (NCD) মোকাবিলায় আজ কেন্দ্রীয় বাজেটে বিশেষ দিশা দেখালেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। অর্থমন্ত্রী হিসেবে তাঁর টানা নবম বাজেট বক্তৃতায় তিনি ঘোষণা করেন, ভারত এখন ডায়াবেটিস, ক্যান্সার এবং অটো-ইমিউন ডিজঅর্ডারের মতো রোগের বড় চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং ভারতকে বিশ্বমানের ‘বায়ো-ফার্মা ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ হিসেবে গড়ে তুলতে চালু হচ্ছে ‘বায়োফার্মা শক্তি’ প্রকল্প।

আগামী ৫ বছরে এই প্রকল্পের জন্য ১০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। এর মূল উদ্দেশ্য হল দেশের ভেতরেই উন্নত মানের ‘বায়োলজিক্স’ এবং ‘বায়োসিমিলার’ ওষুধ উৎপাদন করা। বর্তমানে এই ধরনের অনেক দামী ওষুধ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়, যার ফলে চিকিৎসার খরচ সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যায়। দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগের ওষুধের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।

অবকাঠামো ও গবেষণায় বড় পরিকল্পনা:

  • NIPER-এর মানোন্নয়ন: জাতীয় ফার্মাসিউটিক্যাল শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর (NIPER) একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করা হবে এবং বিদ্যমান ৭টি প্রতিষ্ঠানের আধুনিকীকরণ করা হবে।

  • ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল নেটওয়ার্ক: নতুন ওষুধ উদ্ভাবনের জন্য দেশজুড়ে ১০০০টি অনুমোদিত ‘ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সাইট’ তৈরি করা হবে।

  • নিয়ন্ত্রক সংস্থার সংস্কার: আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে এবং ওষুধ অনুমোদনের সময়সীমা কমাতে ‘সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন’ (CDSCO)-কে আরও শক্তিশালী ও বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে পুনর্গঠন করার কথা জানানো হয়েছে।

অর্থমন্ত্রীর মতে, এই পদক্ষেপগুলি কেবল সাধারণ মানুষের আয়ু বৃদ্ধি করবে না, বরং উন্নত চিকিৎসা পরিষেবাকে অনেক বেশি সাশ্রয়ী করে তুলবে।