স্বাস্থ্য

Cancer Screening: ক্যানসারকে হার মানাতে নিয়মিত স্ক্রিনিং জরুরি, কোন পরীক্ষাগুলি প্রয়োজন প্রতিটি মহিলার জন্য?

Truth of Bengal: দিন দিন উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ক্যানসারের প্রভাব, বিশেষ করে ৫০ বছরের কম বয়সি মহিলাদের মধ্যে। রিপোর্ট অনুযায়ী, স্তন ক্যানসার, সার্ভাইক্যাল ক্যানসার, ডিম্বাশয়ের ক্যানসার, ইউটেরাস (গর্ভাশয়) ক্যানসার এবং ফুসফুসের ক্যানসার মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে(Cancer Screening)। সবচেয়ে চিন্তার বিষয়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ক্যানসার ধরা পড়ে অনেক দেরিতে, যখন চিকিৎসা কঠিন হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতিতে ক্যানসার প্রতিরোধের প্রথম ধাপ হল নিয়মিত স্ক্রিনিং। সময়মতো কিছু নির্দিষ্ট পরীক্ষা করালে আগেভাগেই ক্যানসার শনাক্ত করা সম্ভব হয় এবং ঝুঁকি কমানো যায়। নিচে রইল এমনই কিছু স্ক্রিনিং টেস্ট, যা প্রত্যেক নারীর করানো উচিত:

[আরও পড়ুনঃ Flood Alert: অতিবৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত, জেলাশাসকদের কাছ থেকে তড়িঘড়ি রিপোর্ট তলব করল নবান্ন]

সার্ভাইক্যাল ক্যানসার নির্ণয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ২১ বছর বয়স থেকে প্রতি ৩ বছরে একবার এবং ৩০ বছর বয়সের পর প্রতি ৫ বছরে একবার এই টেস্টের সঙ্গে HPV টেস্ট করানো উচিত(Cancer Screening)। মানব প্যাপিলোমা ভাইরাস  দ্বারা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলে সার্ভাইক্যাল ক্যানসারের সম্ভাবনা বাড়ে। এই টেস্ট উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ মহিলাদের আগেভাগে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে। স্তন ক্যানসার শনাক্তকরণের জন্য অপরিহার্য। ৪০ বছর বয়স থেকে প্রতি ১-২ বছর অন্তর ম্যামোগ্রাম করানো উচিত, বিশেষ করে যদি পারিবারিক ইতিহাস থাকে।

[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal]

এই জিনে মিউটেশন থাকলে স্তন ও ডিম্বাশয়ের ক্যানসারের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়(Cancer Screening)। যাঁদের পরিবারে এই ধরনের ক্যানসারের ইতিহাস আছে, তাঁদের জন্য অত্যন্ত জরুরি এই পরীক্ষা। রজোনিবৃত্তির পর যদি অস্বাভাবিক রক্তপাত হয় বা যাঁদের ওজনাধিক্য ও পারিবারিক ইতিহাস আছে, তাঁদের এই স্ক্রিনিং করানো উচিত। প্রতিটি নারী যেন সচেতন হন এবং নির্ধারিত বয়স ও ঝুঁকির ভিত্তিতে এই স্ক্রিনিংগুলি করান, তাহলেই ক্যানসারকে আগেভাগে থামানো সম্ভব। আজই সচেতন হন, সুস্থ থাকুন।