রাজনীতির ময়দান ছেড়ে দেবের ‘দাদাগিরি’তে হেভিওয়েটরা! এক মঞ্চে সজল, কুণাল থেকে নওশাদ, কিন্তু শতরূপ কোথায়?
রাজনৈতিক ময়দানে একে অপরের তীব্র প্রতিপক্ষ হলেও ‘দাদাগিরি’র আসরে তাঁদের দেখা গেল একেবারে খোশমেজাজে
Truth of Bengal: জল্পনাই এবার সত্যি। ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে হাজির হতে চলেছেন বাংলার রাজনীতির একঝাঁক পরিচিত মুখ। সংশ্লিষ্ট চ্যানেলের তরফে প্রকাশিত বিশেষ পর্বের নতুন প্রোমোতেই মিলেছে সেই ঝলক। রাজনৈতিক ময়দানে একে অপরের তীব্র প্রতিপক্ষ হলেও ‘দাদাগিরি’র আসরে তাঁদের দেখা গেল একেবারে খোশমেজাজে। ‘প্রিন্স অফ ক্যালকাটা’র উত্তরসূরি হিসেবে ইতিমধ্যেই ‘দাদাগিরি’র সঞ্চালনার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দেব। টলিউড সুপারস্টারের সঞ্চালনায় নতুন মরশুমে দর্শকদের জন্য থাকছে একের পর এক চমক। এবার সেই তালিকায় যোগ হল রাজনীতির হাইভোল্টেজ পর্ব। এই বিশেষ পর্বে প্রতিযোগী হিসেবে দেখা যাবে বাংলার রাজনীতির একাধিক পরিচিত মুখকে। সজল ঘোষ, কুণাল ঘোষ এবং মদন মিত্রর উপস্থিতির কথা আগেই সামনে এসেছিল। এবার নতুন প্রোমোয় দেখা গেল বারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি, ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি এবং ডোমকলের বিধায়ক মোস্তাফিজুর রহমানকেও। মঙ্গলবার প্রোমো প্রকাশ্যে আসতেই সোশাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
বিপরীত রাজনৈতিক শিবিরের এতজন নেতাকে এক মঞ্চে দেখার সুযোগ যে দর্শকদের বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করবে, তা বলাই বাহুল্য। মদন মিত্র ও সজল ঘোষের রসবোধ যেমন পরিচিত, তেমনই কুণাল ঘোষের তীক্ষ্ণ মন্তব্যও প্রায়ই আলোচনায় থাকে। অন্যদিকে যুক্তি ও রাজনৈতিক বক্তব্যে নওশাদ সিদ্দিকিও বরাবরই নজর কাড়েন। কৌস্তভ বাগচির উপস্থিতিও এই পর্বে আলাদা মাত্রা যোগ করবে বলেই মনে করছেন দর্শকদের একাংশ। তবে প্রোমোয় শতরূপ ঘোষকে দেখতে না পেয়ে হতাশ হয়েছেন নেটিজেনদের একাংশ। চ্যানেলের পোস্টের মন্তব্য বিভাগে তাঁকে নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন অনেকে।
সবচেয়ে বড় কৌতূহল অবশ্য অন্য জায়গায়। রাজনৈতিক মঞ্চে যাঁরা প্রায়ই একে অপরকে তীব্র আক্রমণ করেন, ‘দাদাগিরি’র মঞ্চে তাঁদের সমীকরণ কেমন হবে? সজল-কুণাল-মদনের সঙ্গে নওশাদ-কৌস্তভদের কথার লড়াই কি উত্তাপ ছড়াবে, নাকি দেবের গুগলির সামনে সব পক্ষই ধরা দেবেন হালকা মেজাজে? আর এত দাপুটে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে একসঙ্গে সামলাতে ‘নতুন দাদা’ দেব কতটা সফল হন, সেই প্রশ্নও ঘুরছে দর্শকমহলে। সব মিলিয়ে ‘দাদাগিরি’র এই রাজনৈতিক বিশেষ পর্ব ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে।





