
The Truth Of Bengal : সদ্য একটি জনপ্রিয় ওটিটি-তে মুক্তি পেয়েছে ভূমি পেডনেকর ভক্ষক। এই ছবিটি মনোরঞ্জনের বদলে আপনার গায়ে কাঁটা দেবে। কারণ ভক্ষক-এ সামাজিক এক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাকে বিষদভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ছবির প্রথম দৃশ্য থেকে এই ছবি আপনাকে ভাবাবে যে আমরা কোন সমাজে বাস করছি। এককথায় চাইল্ড ট্র্যাফিকিংয়ের জীবন্ত দলিল বলা যেতে পারে পরিচালক পুলকিতের ভক্ষক ছবিটিকে।
‘ভক্ষক’ ছবির গল্প একটি শেল্টার হোমকে কেন্দ্র করে। যেখানে নাবালিকাদের সঙ্গে অনৈতিক কাজ করা হয়। উত্তরপ্রদেশের মুজফ্ফরপুরের একটি শেল্টার হোমের ঘটনাকেই এই ছবিতে তুলে ধরেছেন পরিচালক পুলকিত। তবে এক্ষেত্রে জায়গায় নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এক ক্রাইম রিপোর্টারের চোখে পুরো ঘটনাটি তুলে ধরেছেন পরিচালক পুলকিত। সেই সাংবাদিকের চরিত্রেই অভিনয় করেছেন ভূমি পেডনেকর। ভূমি পেডনেকর এই ছবিতে নিজেকে উজার করে দিয়েছেন। দেখে মনে হবে তিনি আগে অভিনেত্রী পরে একজন তারকা। এবং এই ছবিতে তাঁর অভিনয়ের কাছে তাবড় তারকারাও বিবর্ণ হয়ে যাবেন। ভূমি যেন সাংবাদিক বৈশালী চরিত্রের মোড়কে নিজেকে মুড়িয়ে নিয়েছেন পুরোপুরি। সঞ্জয় মিশ্র প্রত্যেকবারের মতোই দুর্দান্ত। মধ্যবয়সী চিত্র সাংবাদিকের চরিত্রে তিনি অত্যন্ত নিপুণ। ছবিতে বংশী সাহুর চরিত্রে আদিত্য শ্রীবাস্তবের অভিনয়ও প্রশংসার দাবি রাখে। সাই তমহনকর ও সূরিয়া শর্মার অভিনয়ও দারুণ। বাকি শিল্পীরাও নিজেদের চরিত্রে যথাযথ।
এই ছবির সবচেয়ে স্ট্রং পয়েন্টই হল চিত্রনাট্য। কিছুটা তথ্যচিত্র ও কিছুটা ফিকশনের মতো করে এগিয়েছে ‘ভক্ষক’-স্ক্রিপ্ট। ছবিটা দেখতে দেখতে কখনই মনে হবে না, এই ঘটনা অতিরঞ্জিত। পুরো ছবি জুড়েই একটা থমথমে ভাব। যা কিনা গায়ে কাঁটা দেওয়ার মতো। আর এমনই এক পারফেক্ট চিত্রনাট্যের সঙ্গে মানানসই ভূমি পেডনেকর। ছবিটি কিছু জায়গা একটু বেশিই স্লথ হলেও সকলের এই ছবিটি দেখা উচিত।
FREE ACCESS






