রাজ্যের খবর
Trending

‘রং না দেখেই দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে’ – মুখ্যমন্ত্রী

Strict action is being taken against the culprits on the instructions of the Chief Minister

The Truth Of Bengal : শান্ত সন্দেশখালিতে বহিরাগতদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। রয়েছে কড়া নজর। পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে। গ্রেফতার হয়েছেন শিবু হাজরা। অভিযুক্ত নেতার ৮দিনের পুলিশ হেফাজত হয়েছে। যেখানে ১৪৪ধারা লাগু রয়েছে সেখানে কোনও কর্মসূচি নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। রবিবার সুজিত বসু,বীরবাহা হাঁসদা,পার্থ ভৌমিকরা  সেখানে যান। মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, রং না দেখেই দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বাংলায় জট পাকানোর চেষ্টা চলছে। একটা ঘটনা ঘটেছে। ঘটানো হয়েছে। প্রথমে ইডি গিয়ে অশান্তি শুরু করেছে। তার পর তার বন্ধু বিজেপি ঢুকেছে। শান্তির পরিবর্তে আগুন জ্বালানো হয়েছে। ”সিউড়ির সভায় সন্দেশখালি প্রসঙ্গে বিরোধীদের এভাবেই একহাত নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করেন, কোনও মহিলা কোনও অভিযোগ করেননি। পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে। দোষীদের কাউকে ছাড়া হবে না, রাজনৈতিক রং না দেখেই। তিনি ভরসা দেন, গ্রামে অফিসার যাবেন, যার যা অভিযোগ আছে তাঁর কাছে জানাতে হবে। কেউ যদি কোনও সুবিধা দেওয়ার নামে টাকা নিয়ে থাকে, তা প্রমাণিত হলে সেই অর্থ ফেরতের আশ্বাসও দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলা যায়, এখন  সন্দেশখালি শান্ত।রয়েছে কড়া নজর। গ্রেফতার করা হয়েছে শিবু হাজরা সহ বেশকয়েকজনকে। ১৯টি জায়গায় ১৪৪ধারা ছিল.৪টি জায়গায় বিধিনিষেধ প্র্ত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। তারমাঝে শান্তিরক্ষার আবেদন জানিয়ে তৃণমূলের প্রতিনিধিরা রবিবার যান। প্রতিনিধিদলে ছিলেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু,বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা,এবং সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে পুলিশ আধিকারিকরা ছুটে গিয়েছেন বাড়িতে বাড়িতে। পাশাপাশি রবিবার থেকে সন্দেশখালীর বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ ক্যাম্প শুরু হয়েছে। জমিজমা সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ জানানো যাচ্ছে এই ক্যাম্পে। তার জন্য বড় হোডিং টাঙানো হয়েছে। এছাড়া দুয়ারে সরকার প্রকল্পে যেসব পরিষেবা মানুষের কাছে পৌঁছানো হয় তার সুযোগও থাকছে এই ক্যাম্পে। সাধারণ মানুষ তার প্রয়োজনমতো আবেদন পত্র জমা দিয়েছেন। আধিকারিকরা জানিয়েছেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এর সমাধান হবে। নির্দিষ্টভাবে জমি কেড়ে নেয়ার অভিযোগ প্রমাণ হলে প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নেবে। টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। বিবার ছুটির দিনে রাজ্যের তিন মন্ত্রী সন্দেশখালি ছুটে আসেন। দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু, সেচ মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক ও বনদপ্তরের প্রতিমন্ত্রী  বীরবাহা হাঁসদা। কথা বলেন স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে। আগামী ৩ মার্চ সন্দেশখালিতে জনসভা করবে তৃণমূল। তার আগে প্রস্তুতি সভা সেরে নিয়েছেন নেতারা। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি আবারো তারা আসবেন সন্দেশখালিতে। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে দলের মুখপাত্র তথা রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক বলেন, দল প্রত্যেকের টাকা মিটিয়ে দেবে। চাঁদা তুলে সেই টাকা মিটিয়ে দেওয়া হবে। তাদের বিরুদ্ধে দলগত তদন্ত হচ্ছে। কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে দল। কোন ভাবে অন্যায়কে বরদাস্ত করা হবে না। মন্ত্রী সুজিত বসু বলেন,  সন্দেশখালিতে রাজনৈতিকভাবে প্ররোচনার সৃষ্টি করছে বিরোধীরা। সাধারণ মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আছেন। দুজন নেতার অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন তারা। দল ব্যবস্থা নিচ্ছে। ফেরির দখলদারি নিয়ে গন্ডগোলের সূত্রপাত। দল এ বিষয়ে যথেষ্ট সতর্ক। আগামী ৩ মার্চ জনসভায় জন প্লাবন হবে।

 

FREE ACCESS

 

Related Articles