রাজ্যের খবর

বোর্ড গঠন না হলেও বাঁধ মেরামতির কাজে হাত লাগিয়েছেন পঞ্চায়েতের জয়ী প্রার্থীরা

Dam Repire

The Truth of Bengal: আয়লা,আমফান,ইয়াসের দুর্যোগের দুঃসহ স্মৃতি এখনও তাড়া করে বেড়ায় সুন্দরবনবাসীকে।কারণ নদী বাঁধ ভাঙলেই তাঁদের বুক দুরদুর করে।আতঙ্কে থাকেন দ্বীপ অঞ্চলের মানুষ।ভয় একটাই সুখী গৃহীকোণ না ভাসিয়ে নিয়ে যায়।জীবন-সম্পত্তি হানির ভয়াবহ অভিজ্ঞতার আর কেউ মুখোমুখি হতে চায় না।তাই প্রশাসন ৫কোটির ওপর ম্যানগ্রোভ সৃজনের লক্ষ্য নেয়।সুন্দরবনের রক্ষাকবচ এই ম্যানগ্রোভ বিপর্যয়ের কিনারা থেকে সুন্দরবনবাসীকে আগলে রেখেছে।এরমাঝে .সুন্দরবনের নদীবাঁধ গুলির অবস্থা পর্যালোচনা করতে রাজ্য সরকার বিশেষ সমীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বারবার কেন নদীবাঁধ ভেঙে পড়ছে তা বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। সুন্দরবন উন্নয়ন দফতর এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর যৌথভাবে এই সমীক্ষা চালাতে তত্পর। বলা যায়, একটু ভারী বৃষ্টিতে ও কোটালের জোয়ারে জলে ভেঙে যায় নদী বাঁধ। স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রশাসন চিন্তাভাবনা করছে।এরমাঝে কিছু এলাকায় বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয়দের সমস্যা হচ্ছে।সাহেবখালির রমাপুরে  রায়মঙ্গল নদীর জলের স্তর বেড়ে যাওয়ায়  বিক্ষিপ্তভাবে ২০, ফুট নদী বাঁধ  ভেঙে যায়। ইটের হাফ কিলোমিটার রাস্তা নদী গর্ভে চলে যায়।   বিভিন্ন এলাকায় নদীর নোনা জল ঢুকতে শুরু করে।জলমগ্ন হয় কাঁঠাল বেরিয়া, পাটঘরা, সাহেব খালি, কানাইকাঠি সহ একাধিক গ্রামে। পঞ্চায়েতের এখনও বোর্ড গঠন না হওয়ায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির বিজয়া প্রার্থী সুরজিত বর্মণ ও জ্যোতিপ্রকাশ চক্রবর্তী গণউদ্যোগ নেন।

নিজেরাই হাত লাগান বাঁধ মেরামতির কাজে।তৃণমূল কংগ্রেস যখন মানুষের স্বার্থে বাঁধ মেরামতে হাত লাগাচ্ছে তখন বিজেপি তোপ দাগতে ব্যস্ত। রাজনীতি ভুলে যখন সবদলের নেতাদেরই মানুষের নদী বাঁধ মেরামতের কাজে এগিয়ে আসা উচিত সেখানে বিজেপি কেন ঘোলাজলে মাছ ধরতে চাইছে ? কেন বিজেপির নেতারা কেন্দ্রের থেকে টাকা আদায় না করে এনে রাজ্যের উন্নয়নে ব্যাঘাত ঘটাতে চাইছে  ? কেন   পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে কেন্দ্র স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প রূপায়ণ করছে না,প্রশ্ন তুলে সোচ্চার তৃণমূল নেতৃত্ব। বাংলার বিপন্নদের বাঁচাতে কেন্দ্র সুন্দরবন নীতি ঘোষণা করে স্থায়ী সমাধান করুক,চাইছেন দ্বীপ অঞ্চলের মানুষেরাও।

Related Articles