“এবার বাংলাদেশ চলে যান!” মমতার দিল্লি কাণ্ড নিয়ে চরম কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের
"সর্বস্ব খুইয়ে ধর্না দিলেও কিচ্ছু লাভ হবে না!", মমতার দিল্লি আন্দোলনকে সোজা ভাষায় নস্যাৎ দিলীপের!
Truth of Bengal: খবরে শিরোনামে থাকার জন্য দিল্লি কেন, চাইলে বাংলাদেশও চলে যেতে পারেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! তবে তাতেও কোনও লাভ হবে না, কারণ সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসকে সম্পূর্ণভাবে বর্জন করেছে। দিল্লির যন্তর মন্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র আন্দোলনে সামিল হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আটক হওয়া প্রসঙ্গে এভাবেই চরম কটাক্ষ ও আক্রমণ শানালেন রাজ্যের বর্তমান পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। শুধু তাই নয়, এই ধরনের আন্দোলনের পেছনে বিদেশি অর্থসাহায্য এবং গভীর রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত রয়েছে বলেও বিস্ফোরক দাবি তুলেছেন তিনি।
রবিবার সকালে প্রাতঃভ্রমণের অঙ্গ হিসেবে নিউ টাউনের ইকো পার্কে গিয়েছিলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সেখানেই তাঁকে ঘিরে ধরেন সাংবাদিকরা। সম্প্রতি দিল্লির রাজপথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না এবং পুলিশি ধরপাকড় বা আটকের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এক বিন্দুও রাখঢাক না করে সরাসরি তোপ দাগেন দিলীপবাবু। তিনি সাফ জানান, মানুষ ভোটবাক্সে তৃণমূলকে একেবারে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
তৃণমূলের ভরাডুবি নিয়ে আক্রমণ শানিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “সম্পূর্ণভাবে মানুষের দ্বারা বর্জিত একটি রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে এরা। সদ্য সমাপ্ত রেজিনগর উপনির্বাচনই তার জ্বলন্ত প্রমাণ, যা এতদিন তৃণমূল-কংগ্রেসের দখলে ছিল। সেখানে শাসক দলের দুই দল মিলিয়ে ৩ শতাংশ ভোটও জোটেনি। এই ধরনের দলের বাংলায় আর কোনও রাজনৈতিক অস্তিত্বই অবশিষ্ট নেই। তাই খবরের শিরোনামে ভেসে থাকার জন্য ওঁরা দিল্লি যান, প্রয়োজনে বাংলাদেশ বা অন্য কোথাও গিয়ে আন্দোলন করতে পারেন। তাতে তৃণমূল পার্টির বা কাটমানি কালচারের কোনও লাভই হবে না।”
দিল্লিতে ‘ককরোচ’ আন্দোলনের উত্তাপ এবং ব্যাপক পুলিশি পদক্ষেপ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সরাসরি দেশবিরোধী শক্তির ইন্ধন থাকার অভিযোগ তোলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, “এর পেছনে পরিষ্কার বিদেশি ফান্ডিং ও রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির গভীর চক্রান্ত কাজ করছে। এই ধরনের শক্তিগুলো সুযোগ পেলেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে। আন্দোলন করছে করুক না, জনগণ এসব মেনে নেবে না। দেশের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থেই সরকার ও প্রশাসন উপযুক্ত কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।” ইকো পার্কের প্রাতঃভ্রমণ সেরে দিলীপ ঘোষের এই আক্রমণাত্মক মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে তীব্র তরজা শুরু করে দিয়েছে।






