‘আমার পরিবারকে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে!’ আয়কর হানা নিয়ে তোপ দাগলেন রকুলপ্রীত
তাঁর দাবি, যাচাই না করে ভুয়ো খবর ছড়ানোর ফলে তাঁর এবং পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে
Truth of Bengal: বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে নাম জড়ানোর পর অবশেষে মুখ খুললেন অভিনেত্রী রকুলপ্রীত সিং। স্বামী জ্যাকি ভাগনানির প্রযোজনা সংস্থাকে ঘিরে আয়কর দফতরের তল্লাশি এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ সামনে আসার পর এতদিন নীরব ছিলেন তিনি। এবার দীর্ঘ সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করে দিলেন অভিনেত্রী। তাঁর দাবি, যাচাই না করে ভুয়ো খবর ছড়ানোর ফলে তাঁর এবং পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর খবর ছড়িয়ে পড়ে, ভাগনানি পরিবারের প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে মুম্বইয়ের একাধিক ঠিকানায় আয়কর দফতর তল্লাশি চালিয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সিনেমা তৈরির অর্থ বিদেশে সরিয়ে দেওয়াসহ সন্দেহজনক লেনদেনের নথি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
এই খবর সামনে আসতেই রকুলপ্রীত সিং এবং জ্যাকি ভাগনানির নামও আলোচনায় চলে আসে। তবে অভিনেত্রীর দাবি, যে তল্লাশি অভিযানের কথা বলা হচ্ছে, তার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোনও যোগ নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় রকুলপ্রীত লেখেন, কিছু স্বঘোষিত সাংবাদিক এবং মূলধারার সংবাদমাধ্যম কোনও তথ্য যাচাই না করেই চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ করেছে। তাঁর বক্তব্য, “যে তল্লাশি অভিযান নিয়ে কথা বলা হচ্ছে, তার সঙ্গে আমি কোনওভাবেই জড়িত নই।” নিজের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন নিয়েও অবস্থান স্পষ্ট করেছেন অভিনেত্রী। তিনি জানিয়েছেন, সশস্ত্র বাহিনীর পরিবারে বড় হয়েছেন এবং বিনোদন জগতে কোনও ‘গডফাদার’ ছাড়াই নিজের জায়গা তৈরি করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত কর দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
রকুলপ্রীতের আরও দাবি, ব্যক্তিগতভাবে কিংবা কোনও প্রযোজনা সংস্থার মাধ্যমে তিনি কোনও বেআইনি বিদেশি আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত নন। দেশে বা বিদেশে তাঁর কোনও অবৈধ সম্পত্তিও নেই। বেআইনিভাবে কোনও উপহার পাওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন তিনি। অভিনেত্রীর বক্তব্য, “যাঁরা মিথ্যা, বিদ্বেষপূর্ণ এবং অনুমাননির্ভর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন, তাঁরা দয়া করে সেগুলি প্রত্যাহার করুন এবং প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করুন।” সংবাদমাধ্যমের বাণিজ্যিক চাপের কথাও নিজের পোস্টে উল্লেখ করেছেন রকুলপ্রীত। তবে তাঁর বক্তব্য, সেই চাপের কারণে তথ্য যাচাই না করে এমন খবর প্রকাশ করা উচিত নয়, যা কারও ব্যক্তিগত বা পেশাগত ভাবমূর্তি নষ্ট করতে পারে।



