২২ শতাংশ ডিএ-র খুশি মুহূর্তেই মাটি, মুখ্যসচিবের নামে ছড়াল ভুয়ো নির্দেশিকা
তাঁর নাম ব্যবহার করে ডিএ বৃদ্ধির ভুয়ো নির্দেশিকা ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এবং অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে
Truth of Bengal: জুন মাসেই যেন ‘এপ্রিল ফুল’। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘভাতা বৃদ্ধি নিয়ে ভুয়ো বিজ্ঞপ্তি ছড়িয়ে পড়তেই তৈরি হল বিভ্রান্তি। প্রথমে ফেসবুকে, তারপর মুহূর্তের মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপেও ছড়িয়ে পড়ে সেই নির্দেশিকা। বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, আগামী মাস থেকে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ২২ শতাংশ হারে মহার্ঘভাতা পাবেন। মুখ্যসচিবের প্যাড ও স্বাক্ষর ব্যবহার করে ওই বিজ্ঞপ্তি ছড়ানো হওয়ায় সরকারি কর্মচারী মহলে সাময়িক খুশির আমেজও তৈরি হয়। কিন্তু পরে জানা যায়, ডিএ বৃদ্ধি সংক্রান্ত ওই বিজ্ঞপ্তি সম্পূর্ণ ভুয়ো। সরকারি তরফে এমন কোনও ঘোষণা করা হয়নি। এরপর বিকেলের দিকে বিভিন্ন আধিকারিকদের গ্রুপে আরও একটি বিজ্ঞপ্তি ঘুরতে শুরু করে। সেখানে মুখ্যসচিবের নামে জানানো হয়, তাঁর নাম ব্যবহার করে ডিএ বৃদ্ধির ভুয়ো নির্দেশিকা ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এবং অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে রসিকতার সুরে লেখা হয়, এই ধরনের নির্দেশিকা যাঁরা তৈরি করছেন, তাঁদের সৃজনশীলতার প্রশংসা করা যায় বটে, কিন্তু এত বড় হারে মহার্ঘভাতা বাড়ানোর মতো “অলৌকিক ক্ষমতা” মুখ্যসচিবের নেই। তাই মুখ্যসচিবের নাম ও স্বাক্ষরযুক্ত এই ধরনের ভুয়ো বিজ্ঞপ্তিকে সত্যি বলে বিশ্বাস না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ডিএ সংক্রান্ত কোনও সরকারি ঘোষণা থাকলে তা আগামী ২২ জুন ২০২৬ রাজ্য বাজেট পেশের সময় অথবা তার পরে সরকারিভাবে জানানো হবে। ততদিন পর্যন্ত মুখ্যসচিবের নাম ও স্বাক্ষর ব্যবহার করে ছড়ানো কোনও নির্দেশিকায় বিভ্রান্ত না হওয়ার আবেদন করা হয়েছে।
সেখানে আরও বলা হয়, রাজ্য বাজেটে কোনও ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত মুখ্যসচিবের নাম ও স্বাক্ষরের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। নির্দেশিকার অনুলিপি মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, রাজ্যপালের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলাশাসক-সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক আধিকারিকদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও উল্লেখ রয়েছে।





