আলিপুরে সরকারি অফিসে ভয়াবহ আগুন, কালো ধোঁয়ায় ঢাকল এলাকা
মুহূর্তের মধ্যেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়
Truth of Bengal: আলিপুরে সরকারি দপ্তরের বহুতলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। জানা গিয়েছে, যে অংশে আগুন লেগেছে, সেটি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের অফিস। এই বহুতলেই একাধিক সরকারি দপ্তরের অফিস রয়েছে। সূত্রের খবর, চর্চিত তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খানের দপ্তরও ছিল এই ভবনে। বুধবার সকাল ৭টা নাগাদ প্রথমে স্থানীয়রা চারতলা থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখেন। মুহূর্তের মধ্যেই কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এলাকা। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় দমকলে। প্রথমে দমকলের ২টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করে। কিন্তু দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়তে থাকায় পরে আরও ইঞ্জিন আনা হয়। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, কমপক্ষে ৭টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজে নামানো হয়েছে।
আগুনের তীব্রতায় বহুতলের কাচ ভাঙা হচ্ছে। কোথাও কোথাও চাঙড় খসে পড়েছে বলেও জানা গিয়েছে। আগুন চারতলা থেকে ক্রমে উপর দিকে ছড়িয়ে ৭ তলা পর্যন্ত পৌঁছে যায় বলে প্রাথমিক খবর। দমকলকর্মীরা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন। সূত্রের খবর, ৭ তলায় এক ব্যক্তি আটকে পড়েছেন। তাঁকে দড়ির সাহায্যে নামানোর চেষ্টা চলছে। ভবনের ভিতরে আরও কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন দমকলকর্মীরা। অগ্নিকাণ্ডের কারণে সরকারি কর্মীদের আপাতত ভবনের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।
প্রাথমিকভাবে অনুমান, এসি মেশিন বা শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। তবে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। কারণ, এই ভবনেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের অফিস, যেখানে জাহাঙ্গির খানের দপ্তর ছিল বলে সূত্রের দাবি। সম্প্রতি জাহাঙ্গির খান গ্রেপ্তার হওয়ার পরই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় প্রশ্ন উঠছে, এর নেপথ্যে শুধুই দুর্ঘটনা, না কি অন্য কোনও কারণ রয়েছে? যদিও তদন্তের আগে এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। পুরো ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে দমকল ও প্রশাসন।






