গেরুয়া ঝড়ে সামিল টলিউডের তারকারাও, কে কোথায় জিতলেন?
বিধানসভায় এবার তারার মেলা! গেরুয়া ঝড়ে ভেসে গেল বিরোধী ভোট, জয়ী সেলেবরা
শুভময় মণ্ডল: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পথে বড় ভূমিকা রেখেছেন দলের তারকা প্রার্থীরা। শুধু সাধারণ কর্মীরাই নন, গ্ল্যামার জগতের তারকারাও এবার গেরুয়া ঝড়ে নিজেদের জয় নিশ্চিত করেছেন। একদিকে নরেন্দ্র মোদির ক্যারিশমা, অন্যদিকে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, এই দুইয়ের মিশেলেই রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রে ধরাশায়ী হয়েছে বিরোধী দলগুলি।
বিধানসভায় এবার ‘তারকা’দের মেলা:
নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যাচ্ছে, টলিউডের একঝাঁক মুখ এবার বিধানসভায় বিজেপির প্রতিনিধিত্ব করবেন। দেখে নেওয়া যাক, কারা পেলেন জয়ের স্বাদ:
-
হিরণ চট্টোপাধ্যায়: টলিউডের এই অভিনেতা আবারও প্রমাণ করলেন তাঁর রাজনৈতিক পরিপক্কতা। শ্যামপুর কেন্দ্রে ভাল ব্যবধানে জয়ী হয়ে তিনি বিজেপির জয়ের অন্যতম কারিগর হয়ে উঠেছেন।
-
রুদ্রনীল ঘোষ: বাগ্মিতা এবং তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক ভাষ্যের জন্য পরিচিত এই অভিনেতা বিজেপি সরকারের অন্যতম ভরসা। গতবারের লড়াইয়ের পর ২০২৬-এ তাঁর জয় ছিল প্রত্যাশিতই।
-
রূপা গঙ্গোপাধ্যায়: বিজেপির প্রার্থী হিসেবে সোনারপুর দক্ষিণে বেশ বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে চমক দেখিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তাঁর জনসংযোগ এবং প্রচারের ধরণ ভোটারদের মন জয় করেছে।
-
পাপিয়া অধিকারী: বিজেপির হয়ে গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে রাজনীতির ময়দানে এসেই বাজিমাত করেছেন তিনি। টালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে হেভিওয়েট প্রার্থী অরূপ বিশ্বাসকে হারিয়ে জয়ী হয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন রাজনৈতিক সচেতনতাতেও তিনি পিছিয়ে নেই।
-
শর্বরী মুখোপাধ্যায়: ছোটপর্দার এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীও বিজেপির টিকিটে যাদবপুরের মতো বাম-দুর্গে জয়ী হয়ে বিধানসভায় নিজের আসন নিশ্চিত করেছেন।
তারকাদের সাফল্যের কারণ:
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তারকা প্রার্থীরা শুধুমাত্র নিজেদের অভিনয়ের জন্য নন, বরং মানুষের কাছাকাছি থাকার চেষ্টাও জয়ের অন্যতম কারণ। বিজেপির উন্নয়নমূলক এজেন্ডা এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আস্থাকে তাঁরা সঠিকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পেরেছেন। গ্ল্যামারের বাইরে গিয়েও যে তাঁরা সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান করতে পারেন, সেই বার্তাটিই ভোটারদের কাছে পৌঁছেছে।
বিধানসভায় এবার তারার মেলা। এখন দেখার পালা, এই তারকারা অভিনয়ের মতো রাজনীতির আঙিনাতেও কতটা সফলভাবে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারেন।






