‘বেশি উৎপাত করতে পারেনি’, নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর
নন্দীগ্রামে কি তবে দাপট দেখাবে ‘পদ্ম’ না কি পাল্টা মার দেবে ‘ঘাসফুল’?
Truth of Bengal: রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সরগরম মেদিনীপুর ও নন্দীগ্রামের মাটি। কড়া নিরাপত্তা ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ভোট হচ্ছে। সাতসকালেই নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নির্বাচন কমিশনের কাজে সন্তোষ প্রকাশ করলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে, পাল্টা অভিযোগ শানিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর।
শান্তিকুঞ্জ থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানান যে, এবার আর নির্বাচনের নামে ‘উৎপাত’ বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, “শান্তিপূর্ণভাবে পরিবর্তন আনুন। এবার বিজেপির হাতে দায়িত্ব দিন। কমিশন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ধন্যবাদ, কারণ এবার সেভাবে অশান্তি করতে পারেনি কেউ, পারবেও না।” সকালে বুথে গিয়ে ভোট দেওয়ার পর তিনি আত্মবিশ্বাসের সুরে জানান, ভোটাররা নির্বিঘ্নে নিজেদের রায় দিচ্ছেন।
অন্যদিকে, নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করের অভিযোগের সুর একেবারে ভিন্ন। বাড়িতে বসেই প্রতিটি বুথে নজরদারি চালাচ্ছেন তিনি। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পবিত্র বাবু বলেন, “অনেক জায়গায় আমাদের কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। বিজেপি গায়ের জোরে ভোট করানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু এভাবে মানুষের মন জেতা সম্ভব নয়।”
খড়্গপুর সদর আসনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। খড়্গপুরের সেরোসা স্টেডিয়ামের ২৬৩ নম্বর বুথে ভোট দিয়ে দিলীপ বাবুও শুভেন্দুর সুরেই শান্তির বার্তা দেন। তাঁর দাবি, পরিবেশ যথেষ্ট ঠিক আছে এবং ভোটাররা উৎসবের মেজাজে ভোট দিচ্ছেন। আপাতত বাড়িতে থেকেই সব দিকে নজর রাখবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে কোনও বড় অশান্তির খবর পেলে তিনি নিজে ময়দানে নামবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন মেদিনীপুরের প্রাক্তন সাংসদ।





