“মাছটা খেয়ে দেখবেন নাকি?”, মোদির ঝালমুড়ি-বিলাসে চরম বিদ্রুপ মমতার
“১০ টাকা কি পকেটে থাকে? সব সাজানো!” প্রধানমন্ত্রীর ঝালমুড়ি খাওয়াকে ‘স্ক্রিপ্টেড’ তকমা দিলেন দিদি।
Truth of Bengal: ভোটের নির্ঘণ্ট যত এগিয়ে আসছে, ততই আক্রমণাত্মক মেজাজে ধরা দিচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবারের সভা থেকে একদিকে যেমন মোদির ‘ঝালমুড়ি’ খাওয়াকে তীব্র বিদ্রুপে বিঁধলেন তিনি, তেমনই ইভিএম কারচুপি নিয়ে তুললেন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। মহারাষ্ট্র ও বিহারের প্রসঙ্গ টেনে মমতার সাফ দাবি, বিজেপি গণতান্ত্রিক পথে নয়, বরং যন্ত্রের কারিকুরি আর জবরদস্তি করে ক্ষমতায় টিকে আছে।
প্রধানমন্ত্রীর জঙ্গলমহল সফরে ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে কটাক্ষের সুর চড়িয়ে মমতা বলেন, “আগে বলতেন চাওয়ালা, এখন বলছেন ঝালমুড়ি খেয়ে দেখি! মাছটা খেয়ে দেখবেন নাকি?” মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এই পুরো ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত এবং সাজানো নাটক। পকেটে ১০ টাকা রাখা থেকে শুরু করে আগেভাগে ক্যামেরাম্যান প্রস্তুত রাখা, সবটাই প্রচারের গিমিক বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।
এদিন কেন্দ্রীয় বঞ্চনা এবং বাংলার প্রতি বিজেপির আচরণের পাল্টা দেওয়ার ডাক দেন নেত্রী। তবে তাঁর লড়াই যে হিংসার পথে নয়, বরং ভোটের বাক্সে, তা স্পষ্ট করে দিয়ে মমতা বলেন, “বাংলার উপর যে অত্যাচার করেছ, গণতান্ত্রিক ভাবে তার বদলা তো নেবই! ভোটের বাক্সে সেই বদলা হবে।” বিজেপিকে এক ইঞ্চি জমিও যে তিনি ছেড়ে দেবেন না, সেই বার্তাই এ দিন প্রতিধ্বনিত হয়েছে তাঁর কণ্ঠে।
সবচেয়ে বড় বোমাটি মমতা ফাটিয়েছেন ইভিএম কারচুপি নিয়ে। মহারাষ্ট্র ও বিহারে বিজেপির জয় নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁর বিস্ফোরক দাবি, “মহারাষ্ট্রে জোর করে জিতেছে, ইভিএমে কারিকুরি করেছে! বিহারেও একই কাজ করেছে। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, ওরা ধরতে পারেনি।” বাইরে থেকে লোক এনে ভোট দেওয়ানোর অভিযোগ তুলেও বিজেপিকে আক্রমণ শানান তিনি। নির্বাচনের আগে মমতার এই ইভিএম-তত্ত্ব রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।






