ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে বদলাচ্ছে আবহাওয়া, উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা
আজ শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে
Truth Of Bengal: দক্ষিণবঙ্গের আকাশে বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে বৃহস্পতিবার থেকেই আবহাওয়ার মেজাজ বদলাতে শুরু করেছে। আবহাওয়া দপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিকেলের দিকে দমদম ও সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১২ কিলোমিটার পুরু মেঘের স্তর জমে যাওয়ায় মাত্র ৪০ মিনিটের ব্যবধানে ২৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এই প্রবল বৃষ্টির সঙ্গে ওই এলাকায় শিলাবৃষ্টিও হয়েছে যা গত ১২ মার্চের স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছে। সল্টলেকেও বৃহস্পতিবার বিকেলে ১০.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে তবে খাস কলকাতায় সন্ধ্যা পর্যন্ত বৃষ্টির দেখা মেলেনি।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আজ শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে আজ থেকে উত্তরবঙ্গেও ঝড়বৃষ্টির দাপট বাড়বে বলে জানানো হয়েছে। একটি ঘূর্ণাবর্ত ও অক্ষরেখার প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প দক্ষিণবঙ্গের আকাশে ঢুকছে। সপ্তাহের শুরুতে বৃষ্টি না হওয়ায় বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে অস্বস্তি বজায় ছিল তবে আজ থেকে ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে পরিস্থিতির বদল ঘটবে।
বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৫ ডিগ্রি কম। অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৭ ডিগ্রি বেশি। দিনের তাপমাত্রা কম ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকায় শহরবাসী কিছুটা গুমোট ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার সম্মুখীন হচ্ছেন।
আবহাওয়া দপ্তর আজ শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের একটি বড় অংশ জুড়ে বজ্রপাত ও ঝোড়ো হাওয়ার হলুদ সতর্কতা জারি করেছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতেও একই ধরণের সতর্কতা বজায় থাকবে বলে জানানো হয়েছে। ঝড়বৃষ্টির প্রভাবে আগামী কয়েক ঘণ্টায় তাপমাত্রার পারদ উল্লেখযোগ্যভাবে নামার সম্ভাবনা রয়েছে যা সাধারণ মানুষকে সাময়িক স্বস্তি দেবে।






