রাজ্যের খবর

“ছাড় পাবে না কেউ,” পুণেতে শ্রমিক খুনের বিচার পেতে সুপ্রিম কোর্ট যাওয়ার হুঁশিয়ারি অভিষেকের

তাদের কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করতে আইনি লড়াইয়ে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি

Truth of Bengal: পুণেতে রহস্যজনকভাবে নিহত পুরুলিয়ার পরিযায়ী শ্রমিক সুখেন মাহাতোর শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার নিহতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন তিনি। এই নৃশংস ঘটনার নেপথ্যে যারা রয়েছে, তাদের কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করতে আইনি লড়াইয়ে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৯ সাল থেকে সুখেন ও তাঁর দুই ভাই পুণের একটি সংস্থায় কাজ করতেন। ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে তিনটের শিফটে যোগ দিতে বাড়ি থেকে বেরোনোর পরেই নিখোঁজ হয়ে যান সুখেন। পরে পুলিশ তাঁর মৃত্যুর খবর জানায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানান, সুখেনের দেহে একাধিক ক্ষতচিহ্ন ছিল, যা থেকে এটি যে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, তা প্রাথমিকভাবে স্পষ্ট। তিনি বলেন, “তদন্তে প্রকৃত সত্য উঠে আসবেই। আমি শুনেছি একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তবে এর সঙ্গে আরও অনেকে যুক্ত। তারা যাতে কোনওভাবেই জামিন না পায় এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পায়, তার জন্য প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত লড়াই করবে দল।”

সুখেনের মৃত্যুর পর তাঁর বাকি দুই ভাই আর ভিনরাজ্যে কাজে ফিরতে চাইছেন না। তাঁদের এই উদ্বেগের কথা শুনে অভিষেক আশ্বাস দিয়েছেন যে, তাঁদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি তিনি খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আর্জি জানাবেন। যাতে তাঁরা নিজের রাজ্যেই কাজ করে পরিবারের হাল ধরতে পারেন।

বিপদগ্রস্ত পরিবারের পাশে তৃণমূল কীভাবে অভিভাবকের মতো দাঁড়িয়েছে, সেই প্রসঙ্গও এদিন উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। তিনি জানান, পুণে থেকে দেহ ফিরিয়ে আনা নিয়ে নানা প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছিল। ময়নাতদন্ত ও পুলিশের আইনি প্রক্রিয়ার মাঝেই তৃণমূল নেতৃত্ব সক্রিয়ভাবে মৃতের দাদার পাশে দাঁড়ায় এবং বিশেষ অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করে দ্রুত দেহ রাজ্যে ফেরানোর ব্যবস্থা করে। দোষীদের উপযুক্ত সাজা না হওয়া পর্যন্ত তিনি ও তাঁর দল এই পরিবারের পাশে থাকবেন বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন অভিষেক।

Related Articles